anandadarshan

জেনে নিন

কিভাবে আশীর্বাদ পাবেন
নিয়ম মেনে কি কি কাজ করতে থাকলে সফল হতে পারেন জেনে নিন আজকেই

মোদকের ভোগ ভগবান গণেশের এত প্রিয়

ভগবান গণেশের প্রিয় খাবার যে মোদক একথা সকলেই জানেন। কিন্তু অন্য মিষ্টির চেয়ে গণেশের কেন এই মোদক সবচেয়ে প্রিয় তা নিয়ে পুরাণে আকর্ষণীয় গল্প বলা হয়েছে। পুরাণে বলা হয়েছে, একবার গণেশ ও পরশুরামের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। যুদ্ধের সময় পরশুরামের অস্ত্রের আঘাতে গণেশের একটি দাঁত ভেঙে যায়। দাঁত ভেঙে যাওয়ার ফলে গণেশের খুব যন্ত্রণা হয়। এইজন্য তিনি কিছু খেতে পারছিলেন না। সেজন্য এমন কিছু খাবার বানানোর জন্য বলা হয়েছিল যা গণেশ জি না চিবিয়ে সহজে খেতে পারেন। গণেশ ভগবানকে সন্তুষ্ট করতে মোদক বানানো হয় যা খাওয়ার পর তিনি তাঁর যন্ত্রণা ভুলে যান। মোদক খাওয়ার সময় খুব নরম ও তুলতুলে ছিল, যা খাওয়ার পর গণেশের দাঁতের ব্যাথা সেরে যায় এবং এরপর থেকেই গণেশের খুব প্রিয় খাবার হয়ে যায় এই মোদক। আর এই কারণেই গণেশের ভক্তরা তাঁকে মোদক ছাড়া অন্য কোনও ভোগ দেন না।

 

খুব সহজেই বাড়িতে গণেশ জির প্রিয় মিষ্টি মোদক তৈরি করে নেওয়া যায়। তার জন্য লাগবে চালের গুঁড়ো, নারকেল কোরানো, এলাচ, নুন, গুড় ও সাদা তেল। প্রথমে কোরানো নারকেল একটি প্যানে নেড়েচেড়ে ভেজে নিন। অন্য একটি পাত্রে এক কাপ জল ঢেলে ফুটিয়ে নিন। ফোটানো জলে গুড় ঢেলে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে, তাতে ভাজা নারকেল মিশিয়ে ঢেলে মিশিয়ে নিন ভাল করে। এবারে এলাচ গুঁড়ো মিশিয়ে নাড়তে থাকুন। কিছুক্ষণ পরে আঁচ বন্ধ করে দিন। একটি পাত্রে গরম জলের সঙ্গে চালের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। তেল ও নুন যোগ করুন এর সঙ্গে। চালের মিশ্রণটি ছোট ছোট বলের মতো করে হাতের তালুতে কাপের মতো বানিয়ে নিন। তার মধ্যে নারকেলের মিশ্রণ দিয়ে কাপের মুখটি আটকে দিন। এবার ভাল করে ভাপিয়ে নিতে হবে নারকেল ভর্তি কাপগুলো। এইবার ভোগ দান করতে পারেন।

গণেশজীর পুজা করবেন কিভাবে জানুন

সিদ্ধটেক নামে এক পর্বতে গণেশ প্রকট হয়েছিলেন বলে তাঁকে সিদ্ধিবিনায়ক বলা হয়। কেউ কেউ এটাও বিশ্বাস করেন যে গণেশের যে শুঁড় রয়েছে তা সিদ্ধি প্রাপ্তির দিকে রয়েছে তাই এর নাম সিদ্ধিবিনায়ক। সিদ্ধিবিনায়কের নিয়মিত পুজো করলে সব সমস্যা-বাধা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এবং কোনও বাধা আসলে তাও সরে যায়।
সিদ্ধিবিনায়কের আরাধনা করলে সব ধরনের বিঘ্ন-বাধা সমাপ্ত হয়ে যায়। চাকরিতে বাধা, অর্থপ্রাপ্তিতে বাধা, মামলা-মোকাদ্দমায় বাধা সহ সব ধরনের বাধা কেটে যায় সিদ্ধিবিনায়কের পুজো করলে। যে কোনও কাজ শুরু করার আগে সিদ্ধিবিনায়কের পুজো খুবই লাভজনক হয়। এই গণেশের পুজো করলে নিশ্চিতভাবে সন্তানপ্রাপ্তি হয়। যদি আপনি দীর্ঘদিন ধরে নিঃসন্তান থাকেন তবে সিদ্ধিবিনায়কের পুজো করে সন্তান গণপতি স্ত্রোত্র পাঠ করুন নিয়মিতভাবে তাহলে আপনি সহজেই সন্তান প্রাপ্তি করতে পারবেন। এঁর উপাসনা করলে ঋণ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ও ব্যবসাতেও লাভ হয়।

সিদ্ধিবিনায়কের পুজো কী করে করবেন

গণেশ চতুর্থীর দিনই আপনি সিদ্ধিবিনায়কের মূর্তি বা ছবির স্থাপনা করতে পারেন। এছাড়া কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থী তিথিতেও ভগবান গণেশের স্থাপনা করতে পারেন। তবে যদি আপনি খুব শীঘ্রই এই ভগবানের স্থাপন করতে চান তবে যে কোনও বুধবার এই সিদ্ধিবিনায়ক রূপের স্থাপন করতে পারেন। রোজ সকালে সিদ্বিবিনায়কের সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালাবেন, দুর্বা ও মোদক দেবেন বা সৈধারণ লাড্ডুও দিতে পারেন। এরপর সিদ্ধিবিনায়কের পুজো করুন ও আরতি করুন। রোজ এই পুজোর পাশাপাশি সকালে ও সন্ধ্যায় সিদ্ধিবিনায়কের সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালাবেন। দু’‌বেলা আরতি যদি করতে পারেন খুব ভালো নয়ত একবেলা অবশ্যই আরতি করবেন। আর যদি লাড্ডু না থাকে তবে শুধু দুর্বা অর্পন করে সিদ্ধিবিনায়কের কাছে নিজে মনোকামনা জানান।
 

সিদ্ধিবিনায়কের চমৎকারী মন্ত্র

১)‌ ‘‌ওম সিদ্ধিবিনায়ক নমো নমাঃ’‌ এই মন্ত্র নিত্যদিন ১০৮ বার জপ করতে হবে। 
 
২)‌ ‘‌ওম সিদ্ধিবিনায়ক সর্বকায়কাত্রয়ী সর্ববিঘ্ন প্রশামন্য সর্বরাজ্যবশ্যকারণ সর্বজ্ঞান সর্বস্ত্রীপুরুষাকারণ্য’‌ এটি খুব শক্তিশালী মন্ত্র। এটিও আপনাকে জপ করতে হবে। নতুবা শুধু ‘‌ওম সিদ্ধিবিনায়ক নমো নমাঃ’‌ জপ করলেও আপনার কাজ সফল হবে। মাত্র এটুকু কাজ করলেই আপনার কাজে আসা সব বাধা দূর হয়ে যাবে
 
মাতা পার্বতী ও শিবের সন্তান গণেশ। পুরাণ মতে এই দেবতার আশীর্বাদে বহু বাধা যেমন কাটে , তেমনই কাজে আসে মোক্ষ। ফলে কাজে সাফল্য লাভ করতে গণেশের পুজো একান্ত কাম্য। যদি স্বপ্নে দেখা যায়, যে আপনি গণেশের পুজো করছেন, তাহলে বুঝতে হবে যে সামনেই কিছু সাফল্য পাবেন আপনি। আবার যদি সামনে কোনও বড় প্রজেক্ট থাকে আপনার কাছে, তাহলেও গণেশের স্বপ্ন সুফল দিতে পারে। প্রজেক্টে শুরুর আগে স্বপ্নে গণেশ দর্শন শুভ বলে মত অনেকের।

 

বহুদিন ধরে যদি বাড়িতে বা কার্যক্ষেত্রে অশান্তি চলে, যদি জটিলতা বাড়তে থাকে, তাহলে সেই অশান্তির মাধে স্বপ্নে গণেশের দর্শনও খুব শুভ বিষয়। স্বপ্নে গণেশের দর্শন হলে, সুখ সেই পরিবারে আসে বলে শোনা যায়। বহু অশান্তি কাটিয়ে ফেরে সুখের সময়। ফেরে হাসি আনন্দের সময়।

প্রতিনিয়ত বাধার মুখে থাকেন ...
আপনার নিত্য দিনের সমস্যায় আমাদের প্রতিকার ১০০% সফল

আপনার জীবনের উন্নতির পথে আমরা আছি

আপনার জীবনের চলার পথে যে যে বিষয়গুলি অতি গুরুত্বপূর্ণ , সেই সেই বিষয়গুলির সম্পর্কিত বিশদ ফলাফল আপনাদের সামনে আমরা তুলে ধরেছি। এই ফলাফল গুলি আপনাদের কাছে এক অমূল্য সম্পদ হয়ে উঠুক - আমরা এই আশা রাখি।

রাতের পর রাত খারাপ স্বপ্ন ঘুম কেড়েছে

জ্যোতিষ মতে এই নিয়মগুলি মেনে পান প্রতিকার

বাচ্চা থেকে বয়স্ক প্রত্যেকেই স্বপ্ন দেখে থাকেন। ভালো স্বপ্ন দেখে ঘুমের মধ্যেই ব্যক্তির মুখে হাসি ফুটে ওঠে। আবার কোনও খারাপ স্বপ্ন ব্যক্তির অন্তরকে নাড়া দিয়ে দেয়। ঘুমের মধ্যেই চেঁচিয়ে ওঠেন অনেকে। আবার ছোট বাচ্চারা খারাপ স্বপ্ন দেখলে ঘুমের মধ্যেই কেঁদে ওঠে। জ্যোতিষে এই সমস্ত খারাপ স্বপ্ন থেকে স্বস্তি পাওয়ার জন্য নানান উপায় সম্পর্কে জানানো রয়েছে। কোন উপায় খারাপ স্বপ্নের প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে পারেন, জেনে নিন—

 

খারাপ স্বপ্ন থেকে বাঁচার সহজ উপায়

 

ধ্যান ও আধ্যাত্মিক শান্তি: মন থেকে খারাপ স্বপ্ন দূর করার জন্য ধ্যান ও যোগ করা উচিত। বাড়িতে প্রতিদিন আধঘণ্টা যোগ করুন। এর প্রভাবে রোগ এবং খারাপ স্বপ্ন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এ ছাড়াও নিজের আরাধ্য দেবতাকে প্রণাম করে সেখানে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী দান করুন। তার পর দান করা সেই বস্তু কোনও অসহায় ব্যক্তিকে দিয়ে দিন।

 

গণেশের পুজো করুন: গণেশকে বিঘ্নহর্তা বলা হয়। তাই নিয়ম মেনে গণেশের পুজো করা উচিত। বুধবার আপনাকে কোনও খারাপ স্বপ্ন বিরক্ত করলে তার পরের দিন গণেশের পুজো করুন এবং নারকেল অর্পণ করুন। এর প্রভাবে খারাপ স্বপ্ন থেকে পাবেন।

 

তুলসী পুজো করুন: খারাপ বা ভয়াবহ স্বপ্ন আপনাকে বিরক্ত করলে তুলসী গাছের পুজো করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিষ্ণুর আরাধনা করলেও স্বস্তি পেতে পারেন।

 

বজরংবলীর ধ্যান করুন: হিন্দু শাস্ত্রে বজরংবলীকে সঙ্কটমোচন বলা হয়। ঘুমানোর আগে হনুমান চালিসা পাঠ করার পরামর্শ দেন অনেকে। রাতে ঘুমানোর সময় খারাপ স্বপ্ন এলে বজরংবলীকে স্মরণ করুন। এর প্রভাবে মন ও মস্তিষ্ক শান্ত হবে।

 

দান করুন: শাস্ত্র মতে, দান করলে নানান সঙ্কট ও নেতিবাচক প্রভাব দূর হয়। তাই ব্যক্তিকে নিজের জীবনের নানান সময় দান করা উচিত। খারাপ স্বপ্ন থেকে মুক্তি পেতে কী করবেন এবং কী দান করবেন জেনে নিন—
১. রাতে কোনও খারাপ স্বপ্ন দেখলে পরের দিন সকালে শিবকে সাদা রঙের ফুল অর্পণ করুন। এ ছাড়াও সাদা বস্তুও দান করতে পারেন। পাশাপাশি কোনও অসহায় ব্যক্তিকে চাল বা চিনি অর্পণ করুন।
২. বৃহস্পতিবার রাতে খারাপ স্বপ্ন দেখলে পরের দিন সকালে হলুদ কাপড়ে হলুদ ও ছোলা ডাল রেখে দান করা উচিত। এর প্রভাবে খারাপ স্বপ্ন কম হয়।
৩. শুক্রবার রাতে খারাপ স্বপ্ন দেখলে পরের দিন চাল, মিশ্রী, সাদা মিষ্টি ও বাতাশা দান করুন।
৪. রবিবার কোনও খারাপ স্বপ্ন দেখলে পরের দিন সকালে মন্দিরে বা কোনও অসহায় ব্যক্তিকে গুড়, লাল কাপড় দান করুন।

 

মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করুন: শাস্ত্র মতে এটি শিবের সবচেয়ে প্রভাবশালী মন্ত্র। প্রতিদিন এই মন্ত্র জপ করলে নানান কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এই মন্ত্র খারাপ স্বপ্ন থেকেও মুক্তি দেয়। মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রটি হল–
ওম হৌং জূং সঃ ওম ভূর্ভুবঃ স্বঃ ওম ত্রয়ম্বকম যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টিবর্ধনম্
উর্বারুকমিব বন্ধনান্মৃ ত্যোর্মুক্ষীয় মামৃতাৎ
ওম স্বঃ ভুবঃ ভূঃ ওম সঃ জূং হৌং ওম।

 

নিজের প্রেমকে সফল করতে চান
আপনার নিত্য দিনের সমস্যায় আমাদের প্রতিকার ১০০% সফল

সাফল্য পেতে, ব্যক্তির মধ্যে এই ৩ গুণ থাকা আবশ্যক

প্রতিটি মানুষের জীবনে ২৪ ঘন্টা থাকে, কিন্তু কেউ যদি এই ২৪ ঘন্টাকে ভালোভাবে কাজে লাগায় নীচ থেকে উঁচুতে পৌঁছাতে, তাহলে কেউ চাইলেও তার স্বপ্নের শেষ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না। এর প্রধান কারণ হল সেই গুণাবলী যার মধ্যে রয়েছে তাঁর জীবন পরিচালনা করার ক্ষমতা গড়ে ওঠে সহজেই । যে ব্যক্তি এই ২৪ ঘন্টা অনুসারে জীবন পরিচালনা করতে জানে, সে যে কোনও স্বপ্ন পূরণ করতে পারে এবং সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে পারে। আচার্য চাণক্য তার চাণক্য নীতি গ্রন্থে ৩টি গুণের কথা উল্লেখ করেছেন । যদি একজন ব্যক্তি নিজের মধ্যে এই গুণগুলি বিকাশ করে তবে সে নিজেই সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে শিখবে এবং সে যা চায় তাই পাবে। জেনে নেওয়া যাক চাণক্যের এই ৩ নিয়ম কি কি-১) কর্মে বিশ্বাস করুনঃ জীবনে সফলতা আসে ভাগ্য এবং কর্ম উভয়ের সংমিশ্রণ থেকে, তবে এর অর্থ এই নয় যে আপনি ভাগ্যের উপর বসে থাকবেন। ঈশ্বর মানুষকে কাজ করার গুণ দিয়েছেন এবং কর্ম দ্বারা তার নতুন ভাগ্য লেখার ক্ষমতা দিয়েছেন। তাই ভাগ্যের উপর নির্ভর করবেন না, আপনি যা অর্জন করতে চান তার জন্য সঠিক উপায়ে চেষ্টা করুন। আপনি যদি পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করেন তবে আপনি অবশ্যই আপনার কাজে সাফল্য পাবেন।২) সৎ হওঃ আপনি যে কাজই করছেন না কেন সততা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি আপনার কাজের প্রতি সৎ না হন তবে আপনি কখনই সাফল্য অর্জন করতে পারবেন না। ব্যবসায়ী যদি তার কাজ সততার সঙ্গে না করে তবে সে কখনো কাজে লাভবান হতে পারবে না।৩) যে কোনোও সিদ্ধান্ত সাবধানে নিনঃ জীবনের একটি সিদ্ধান্ত আপনাকে সফল করতে পারে এবং আপনাকে সাফল্যের শিখরে নিয়ে যেতে পারে। তাই যে কোনও সিদ্ধান্ত সাবধানে নিন। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, পরিস্থিতি সঠিকভাবে মূল্যায়ন করুন। তারপর কিছু উপসংহারে যান। আপনি চাইলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অভিজ্ঞদের মতামতও নিতে পারেন।

শত শত ভিডিওর মাধ্যমে আপনার বর্তমান সমস্যার প্রকৃত সমাধান

বিশ্বের প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ এই ভিডিও গুলি বার বার দেখে থাকেন – আপনিও আজকেই দেখুন – তান্ত্রিক টোটকা (ইউ টিউব)

Travel

আপনার জীবনের উন্নতির পথে আমরা আছি

আপনার জীবনের চলার পথে যে যে বিষয়গুলি অতি গুরুত্বপূর্ণ , সেই সেই বিষয়গুলির সম্পর্কিত বিশদ ফলাফল আপনাদের সামনে আমরা তুলে ধরেছি। এই ফলাফল গুলি আপনাদের কাছে এক অমূল্য সম্পদ হয়ে উঠুক - আমরা এই আশা রাখি।

যে কোন ব্যবসায়ে উন্নতি করুন
শুধুমাত্র তন্ত্র মতেই আপনি সাফল্য পেতে পারেন যে কোনও ব্যবসাতেই

জন্মছকে য্খন মঙ্গল দুর্বল হয়, জেনে নিন তখন কিভাবে করবেন এর প্রতিকার

জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গল শক্তি, সাহস, ভূমি, ভাইয়ের কারক হিসাবে ন'টিতে ভূমিপুত্র বলা হয় । এটি মেষ এবং বৃশ্চিক রাশির অধিপতি। মঙ্গল মকর রাশিতে উচ্চ এবং কর্কট রাশিতে দুর্বল। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, যে ব্যক্তির রাশিতে মঙ্গল শক্তিশালী এবং শুভ ফল দেয়, সেই ব্যক্তি সাহসী, নির্ভীক এবং সর্বক্ষেত্রে সফল এবং বিজয়ী হন। বিপরীতে, মঙ্গল দুর্বল হলে ব্যক্তিকে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ, শত্রুদের কাছ থেকে পরাজয়, ঋণের মতো সব ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আসুন জেনে নেই ভগবান মঙ্গল গ্রহের রাশিফলের মঙ্গলকে শক্তিশালী করে তার শুভ ফল পেতে সহজ ও কার্যকরী প্রতিকার । মঙ্গল সংক্রান্ত দোষ দূর করতে এবং এর শুভ ফল পেতে প্রতিদিন হনুমান জির পূজা করা খুবই ফলদায়ক প্রতিকার। মঙ্গল শান্তির জন্য প্রতি মঙ্গলবার বিশেষভাবে সুন্দরকাণ্ড পাঠ করুন। মন্ত্র জপ হল সনাতন ঐতিহ্যের যে কোনও দেবতার কৃপা পাওয়ার একটি সহজ এবং কার্যকর উপায়। এমতাবস্থায় অশুভ মঙ্গল থেকে শুভ ফল পেতে পূর্ণ ভক্তি ও বিশ্বাসের সঙ্গে দেবতার মন্ত্র 'ওম ক্রিং ক্রাং ক্রৌং স্বাঃ ভৌমে নমঃ' জপ করুন। আপনার জন্মকুণ্ডলীতে মঙ্গল দোষের কারণে আপনি যদি অনেক সমস্যার সম্মুখীন হন, তাহলে আপনার উচিত সপ্তপুরীদের মধ্যে একটি উজ্জয়িনীতে যাওয়া এবং মঙ্গলনাথ মন্দিরে মঙ্গল দোষ এড়ানো উচিত। এই মন্দিরে মঙ্গল দেবতার আবির্ভাব হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। এখানে মঙ্গল সংক্রান্ত দোষ-ত্রুটি দূর করতে এবং মনোবাঞ্ছা পূরণের জন্য প্রতিদিন পূজার বিধান রয়েছে। মঙ্গল গ্রহের মঙ্গল পেতে মঙ্গলবার উপবাস করা একটি সহজ ও কার্যকরী প্রতিকার। মঙ্গলবার ভগবান হনুমান ও মঙ্গল দেবতাকে উৎসর্গ করা হয়, তাই যে কেউ এই দিনে উপবাস করেন তিনি হনুমান ও মঙ্গল দেবতার অপার আশীর্বাদ লাভ করেন এবং সকল প্রকার রোগ, ঋণ, বাধা ইত্যাদি থেকে মুক্তি পান।কুণ্ডলীতে মঙ্গল দুর্বল থাকলে মঙ্গলবার গলায় মঙ্গল যন্ত্র বা মঙ্গল যন্ত্রের লকেট পরলে মঙ্গল শুভ হয় এবং ব্যক্তির মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও সাহস বৃদ্ধি পায়।

আর্থিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে শোওয়ার ঘরের রঙ, জেনে নিন কোন রং করাবেন

জ্যোতিষ মতে এই নিয়মগুলি মেনে পান প্রতিকার

  • কথায় আছে, একটা সূচ থেকে দেওয়াল চিত্র  সবই পড়ে বাস্তু শাস্ত্রে। শাস্ত্র অনুসারে বাড়ি সাজালে যেমন পরিবারের সকল সদস্যদের উন্নতি হয়, তেমনই কেটে যায় আর্থিক বাধা। একটা সময় এই ধারণা মুষ্টিমেয় মানুষের মধ্যে থাকলেও, এখন কম-বেশি সকলেই বাস্তুর  ওপর বিশ্বাস করছেন। আগে বাস্তু বলতে বোঝাত শুধু ঘরের দিক নির্দেশ। যা সহজে বদল করা সম্ভব ছিল না। ফলে, বাস্তুশাস্ত্র নিয়ে তেমন মাথা ঘামাতেন না কেউই। কিন্তু, এখন বদলেছে এই ধারণা। বাস্তু শাস্ত্র, বলতে ঘরের রং থেকে গৃহসজ্জা সবই বোঝায়, তা সকলেই বুঝে গিয়েছেন। ফলে, আস্থা বেড়েছে মানুষের। 
    জ্যোতিষের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হল বাস্তু। বাস্তু মতে, ঘর সাজালে রয়েছে একাধিক উপকার। শাস্ত্র মতে, উন্নতিতে বাধা, আর্থিক ক্ষতি, পরিবারের সকল সদস্যদের শারীরিক জটিলতার কারণ হতে পারে বাস্তুদোষ।  ঘরে যদি নেগেটিভ এনার্জি বেশি মাত্রায় থাকে, তাহলে তার খারাপ প্রভাব পড়বে সব কিছুর ওপর। তাই প্রয়োজন আগে থেকে সতর্ক হওয়া। এখন প্রশ্ন হল, এই নেগেটিভ এনার্জি কী করে আসে।  শাস্ত্রে নেতিবাচক এনার্জি নাশ করার টোটকা রয়েছে বিস্তর। শাস্ত্র মতে, আর্থিক ক্ষতি কিংবা আর্থিক বাধা দূর করতে ঘরের রং বদল করুন।
  • বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, শোওয়ার ঘরের রং বাস্তু শাস্ত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ঘরের রঙ সঠিক না হলে, তা আর্থিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে। তাই আর্থিক টানাপোড়েন কাটাতে শোওয়ার ঘরে হালকা গোলাপী , হালকা সবুজ , হালকা নীল ও হলুদ সেরা করাতে পারেন। শাস্ত্র মতে এগুলো সেরা রঙ। শোওয়ার ঘরের পশ্চিম দিকে হালকা নীল রঙ করান, পূর্বের রঙ হোক হলুদ। ঘরের সৌন্দর্যের কথা মাথায় রেখে ঘরের যে কোনও একটি দেওয়ালে এমন রঙ করান। আর শোওয়ার ঘর বাড়ির উত্তর দিকের হলে সেই ঘরের রঙ হোক সবুজ । উত্তর দিকের জন্য শুভ রঙ হল সবুজ। শাস্ত্র মতে, শিশু, মেয়ে ও সদ্য বিবাহিতদের ঘরে হালকা সবুজ রঙ করানো শুভ। আর ঘরের উত্তর-পূর্ব বা উত্তর দিকে হালকা লাল বা কমলা রঙ করাতে পারেন। এতে কেটে যাবে সকল আর্থিক সমস্যা ।
কোন সময়ে কি করবেন
সমগ্র জীবনের কোষ্ঠী "স্বর্ণ চক্র" সংগ্রহ করুন আজকেই

জ্যোতিষশাস্ত্র হল একটি ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিজ্ঞান যার নিজস্ব পদ্ধতি, দাবি এবং ফলাফল রয়েছে যা চিরকাল অনুপ্রাণিত করে এবং মানুষকে তাদের জীবনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি দেয়। এই দিকগুলির মধ্যে রয়েছে আপনার প্রেম-জীবন, পেশা, ব্যবসা, আর্থিক সমৃদ্ধি এবং আরও অনেক কিছু। এই সমস্ত দিকগুলি আমাদের জীবনকে কোনও না কোনওভাবে প্রভাবিত করে এবং আমরা সাধারণত তাদের ইতিবাচক পথে যেতে চাই। কিন্তু অবশ্যই, এটা সবসময় সম্ভব নয়। এমন এক সময় যখন জ্যোতিষশাস্ত্র  আপনার ত্রাণকর্তা হতে পারে।

আপনার জ্যোতিষ রিপোর্ট গুলি এখানে পাবেন

জীবন থাকলে সেখানে সমস্যাও থাকবে। নানা সমস্যা নিয়ে বেঁচে থাকা খুবই কষ্টের এবং দীর্ঘদিন এভাবে চললে তীব্র হতাশা আসা খুবই স্বাভাবিক। তীব্র হতাশা থেকেই মানসিক রোগের জন্ম হয়। তখন একজনের পক্ষে স্বাভাবিক চিন্তা করা দুঃসাধ্য হয় ওঠে, জীবনকে বোঝা বলে মনে হয়।

চিন্তা করবেন না ... তন্ত্র মতে মুক্তি হবেই

নিজের ভাগ্য ফেরাতে ময়দার লেচির মধ্যে চিনি মিশিয়ে ছোট ছোট গুলির আকারে তৈরি করে পিঁপেড়ের উদ্দেশ্যে রেখে দিন। এতে সমস্ত পাপের মুক্তি ঘটে। এই পূণ্য কাজের জন্য সকল মনের ইচ্ছে পূরণ হয়।এছাড়া জন্তু ও পাখিদের খাওয়ান। হিন্দু শাস্ত্র মতে মনে করা হয় গরু অত্যন্ত পবিত্র ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বাহন। তাই গরুকে খাওয়ালে সমস্ত দেবতা সন্তুষ্ট হন অবং তাঁধের কৃপাদৃষ্টি আপনার উপর বজায় থাকবে।

২০২৩-এ আপনার ভাগ্য কেমন হবে

মেষ রাশি (২১ মার্চ – ১৯ এপ্রিল)
২০২৩ সাল আপনার জন্য চমৎকার হবে। সারা বছর ভাগ্য আপনার সঙ্গে থাকবে। ২০২২ সালের তুলনায় অর্থনৈতিক অবস্থা শক্তিশালী থাকবে। এই বছর পৈতৃক সম্পত্তি থেকে খুব ভালো সুবিধা পাবেন। ব্যবসায় আপনার নতুন পরিকল্পনা কাজে লাগবে এবং তাতে ভালো উন্নতি হবে। চাকরিজীবীদের জন্য বছরটি মিশ্র যাবে। বছরের শেষে আরও ভালো সুযোগ পাবেন।
বৃষ রাশি (২০ এপ্রিল – ২০ মে)
এই বছর আপনার জন্য বৈষয়িক সম্পত্তি বৃদ্ধি হবে। আপনি নতুন সুযোগ পাবেন যা আপনার পক্ষে ভাল হবে। পরিবারে কোনো বড় ঘটনা এ বছর ঘটতে পারে। যার জন্য আপনি দীর্ঘকাল ধরে অপেক্ষা করছেন। বিদেশ ভ্রমণের সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে।
মিথুন রাশি (২১ মে – ২০ জুন)
এই বছরটি মিথুন রাশির জাতক জাতিকাদের জন্য খুবই উপকারী এবং সৌভাগ্যবান হতে চলেছে। আয়ের অনেক নতুন পথ খোলা হবে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আয় ক্রমাগত বৃদ্ধি পাবে। ব্যবসায় উন্নতির প্রচুর পথ খুলবে। এই বছর, আপনি হঠাৎ ব্যবসায় একটি উন্নতির পথ পেতে পারেন।
কর্কট রাশি (২১ জুন – ২২ জুলাই)
ব্যবসায় প্রভূত উন্নতি হবে। হঠাৎ এমন কিছু সুযোগ আসবে যার কারণে আপনি আর্থিক সুবিধা পাবেন।
সিংহ রাশি (২৩ জুলাই – ২২ অগাস্ট)
রাশিচক্রের সপ্তম ঘরে শনি উচ্চ স্থানে আছেন। আয়ের নতুন উৎস তৈরি হবে। যার ফলে আপনার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স বাড়বে। সিংহ রাশির জাতক জাতিকাদের ওপর যদি ঋণ থাকে, তাহলে এ বছর তারা তা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। যে সমস্ত লোক কিছু দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতায় ভুগছেন তারা বছরের শুরু থেকেই স্বস্তি পেতে শুরু করবেন। বছরের শেষে শুক্র গ্রহের প্রভাবে আপনি সম্পদ, সম্মান ও আরামের সুবিধা পাবেন।
কন্যা রাশি (২৩ অগাস্ট – ২২ সেপ্টেম্বর)
এই বছর শনিদেব আপনার ষষ্ঠ ঘরে প্রবেশ করছেন। যার কারণে আপনি বিশেষ আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন। আপনি যেকোন বিবাদের মামলায় আদালতে জিততে পারেন। এই বছরটি আপনার শত্রুদের অনায়াসে পরাজিত করবেন।
তুলা রাশি (২৩ সেপ্টেম্বর – ২২ অক্টোবর)
এই বছর তুলা রাশির জাতকদের জন্য অনেক সুযোগ এনে দেবে। এই বছর আপনি একটি দামী সম্পত্তি কিনতে পারেন। আপনার বাহনের ইচ্ছা পূরণ হবে। পৈতৃক সম্পত্তি থেকে লাভবান হওয়ার সুযোগ আসবে। কর্মজীবীদের জন্য এই বছরটি চমৎকার হবে। আপনার বেতন বৃদ্ধি এবং পদোন্নতি হবেই।
বৃশ্চিক রাশি (২৩ অক্টোবর – ২১ নভেম্বর)
চাকরিজীবীদের জন্যও বছরটি ভালো যাবে। সারা বছর চাকরিতে আপনার সহকর্মীদের সহযোগিতা পাবেন। যারা সরকারি চাকরির জন্য চেষ্টা করছেন তারাও ভালো খবর পেতে পারেন।
ধনু রাশি (২২ নভেম্বর – ২১ ডিসেম্বর)
এ বছর আপনার পরিবারে শান্তি ও সুখ বজায় থাকবে। যে কোন বিষয়ে পরিবারের সকল সদস্যের মতামত একই থাকবে। নানা ব্যবসায়ে নতুন সুযোগ পাবেন।
মকর রাশি (২২ ডিসেম্বর – ১৯ জানুয়ারি)
পেশা এবং ব্যবসার দিক থেকে এই বছরটি খুব লাভজনক এবং সফল হবে। এপ্রিলের পরে, বৃহস্পতিও তার চিহ্ন পরিবর্তন করে মেষ রাশিতে প্রবেশ করবে। আপনি ইতিবাচক ফলাফল পাবেন। সারা বছর ভাগ্য আপনাকে সাহায্য করবে।
কুম্ভ রাশি (২০ জানুয়ারি – ১৮ ফেব্রুয়ারি)
এই বছর সাল আপনার ব্যবসা সম্প্রসারণে আপনাকে নিপুনভাবে সহায়তা করবে। আপনার প্রচেষ্টা আপনাকে অপার সাফল্য এনে দেবে।
মীন রাশি ( ১৯ ফেব্রুয়ারি – ২০ মার্চ)
চাকরিজীবীদের জন্য এই বছর চাকরি পরিবর্তনের বছর হিসেবে প্রমাণিত হবে। পদোন্নতি ও বৃদ্ধির শুভ লক্ষণ রয়েছে। এপ্রিলের পর ব্যবসায় নিযুক্ত ব্যক্তিরা ভালো লাভ পাবেন।

২০২২-এ আপনার ভাগ্য কেমন হবে

মেষ রাশি (২১ মার্চ – ১৯ এপ্রিল)
বছরের প্রথমে পরিবারে শান্তি এবং সমৃদ্ধি বজায় থাকবে। স্ত্রীয়ের সাথে অন্তরঙ্গতা বাড়বে। ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাওয়া হতে পারে। অবিবাহিতদের বিয়ের ব্যপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এপ্রিলের পরে কাজের চাপ বেড়ে যাবে। পরিবারকে সময় দিতে পারবেন না। আগস্টের পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। বছরের শেষের দিকে পরিবারের কারণে খরচ বাড়বে। সেই থেকে মানসিক চাপ তৈরি হবে। কোনও আত্মীয়ের সাথে মনোমালিন্য হতে পারে।
বৃষ রাশি (২০ এপ্রিল – ২০ মে)
বছরের শুরুতে স্ত্রীয়ের প্রতি বিশ্বাস বাড়বে। পরিবারে শান্তি বজায় থাকবে। প্রিয়জনদের উপহার দেওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন। বিবাহিত দম্পতিদের সন্তান আসতে পারে। পরিবারের সকলকে নিয়ে ঘুরতে যেতে পারেন। এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে স্ত্রীয়ের সাথে মতানৈক্য হতে পারে। কাজের চাপ বেশি থাকায় পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না। জুলাইয়ের পরে অবিবাহিত ব্যক্তিরা কর্মক্ষেত্রে নিজের জীবনসঙ্গীকে খুঁজে পেতে পারেন। পরিবারে সম্প্রীতির পরিবেশ থাকবে। বছরের শেষ দিকেও এই পরিবেশ বজায় থাকবে।
মিথুন রাশি (২১ মে – ২০ জুন)
বছরের শুরুতে স্ত্রী এবং পরিজনের সাথে আনন্দ উপভোগ করবেন। আত্মীয়দের থেকে কোনও প্রিয় জিনিস উপহার পেতে পারেন। দাম্পত্যজীবন আরও মধুর হবে। এপ্রিলের পরবর্তী সময়ে আপনার মধ্যে ধৈর্যের অভাব দেখা যাবে। এর ফলে তাড়াহুড়ো করে নেওয়া ভুল সিদ্ধান্তে আপনার সাথে পরিবারের মতবিরোধ হতে পারে। কাজের চাপ বেড়ে যাবে। বছরের শেষে মানসিক চাপে ভুগবেন।
কর্কট রাশি (২১ জুন – ২২ জুলাই)
বছরের শুরুতে আপনার মধ্যে অনর্থক ভয় দেখা যাবে। এর ফলে আপনার মানসিক চাপ বাড়বে। স্ত্রীয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারেন। এর ফলে বিপুল খরচ হবে। এপ্রিলের পরে স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে। পরিবারের সকলকে নিয়ে কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা হতে পারে। বছরের শেষদিকে নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করুন। আপনার কথায় প্রিয়জনেরা আঘাত পেতে পারে।
সিংহ রাশি (২৩ জুলাই – ২২ অগাস্ট)
এই বছরটি সিংহ রাশির জাতকদের জন্য মিশ্র থাকবে। জানুয়ারী মাসে, আপনার আর্থিক জীবন ইতিবাচক হবে। কর্মক্ষেত্রে প্রচুর সাফল্য পাবেন। পদোন্নতি এবং বেতন বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে। সতর্ক থাকতে হবে ফেব্রুয়ারি আর এপ্রিল মাসে। স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। বিবাহিত হলে, স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধ চললে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে তা মিটে যাবে। শিক্ষার্থীরা এই বছরটিকে কাজে লাগান।
কন্যা রাশি (২৩ অগাস্ট – ২২ সেপ্টেম্বর)
জানুয়ারী মাসে শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে পারে। এপ্রিল, জুন এবং সেপ্টেম্বর মাসগুলি আপনার জন্য কিছুটা প্রতিকূল হবে। আপনার এবং আপনার পরিবারের মধ্যে কিছু মত ভেদাভেদ তৈরি হতে পারে। যারা শিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছিলেন, তারা সম্ভবত সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত খুব অনুকূল ফলাফল পাবে। অক্টোবর থেকে মধ্য নভেম্বর পর্যন্ত আপনার প্রেমের সম্পর্ক খুব ভালো যাবে।
তুলা রাশি (২৩ সেপ্টেম্বর – ২২ অক্টোবর)
২০২২ এর শুরুতে শারীরিক, মানসিক এবং কর্মজীবন সম্পর্কিত অনুকূল ফলাফল মিলবে। কিন্তু ব্যবসা এবং পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো যাবে না। এপ্রিল মাসে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার ক্ষেত্র শুভ হবে। মে থেকে নভেম্বরের মধ্যে, আপনি কোন বিদেশী ভূমি, চাকরি বা শিক্ষা সম্পর্কিত কিছু ভাল খবর পাবেন। যারা এখনও অবিবাহিত, তারা সম্ভবত এ বছরের অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মধ্যে পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারেন।
বৃশ্চিক রাশি (২৩ অক্টোবর – ২১ নভেম্বর)
বছর শুরু থেকে এপ্রিল পর্যন্ত, আপনাকে অনেক অপ্রয়োজনীয় খরচের মোকাবিলা করতে হবে। এপ্রিলের শেষ দিকে কর্মজীবন, আর্থিক জীবন এবং পারিবারিক জীবনে মিশ্র ফল পাবেন। অগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মায়ের স্বাস্থ্যের যত্ন নিন। প্রিয়জনের সঙ্গে অনেক ছোট-ছোট বিষয় নিয়ে তর্ক এবং ঝগড়ার সৃষ্টি হবে। তবে বিচ্ছেদ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। শিক্ষার্থীদের জন্য অনুকূল সময়।
ধনু রাশি (২২ নভেম্বর – ২১ ডিসেম্বর)
২০২২ এর শুরুটা মিলেমিশে কাটবে। প্রিয়জন বা জীবনসঙ্গীর সঙ্গে ছোটখাটো ভ্রমণে বেরোতে পারেন। আপনার চিন্তাভাবনার মধ্যে অস্থিরতা আসতে পারে। অবিবাহিতরা বিবাহ নিয়ে ভুল সিদ্ধান্তের সম্মুখীন হতে পারেন, নিজেকে একা মনে হতে পারে। বছরের মাঝ থেকে পরিস্থিতি খানিকটা ইতিবাচক হবে। নিজের ভুল স্বীকার করতে পারবেন। অবিবাহিতরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। নভেম্বর থেকে বছরের শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি একটু সমস্যাজনক থাকবে। নিজের ভুল সিদ্ধান্তে নিজেই সমস্যায় পড়তে পারেন। ধৈর্য রাখতে হবে।
মকর রাশি (২২ ডিসেম্বর – ১৯ জানুয়ারি)
বছরের শুরুতে প্রেম ও পারিবারিক জীবন ভালো থাকবে। আপনার জীবনসঙ্গীর ব্যবহারে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। অবিবাহিতরা পরিবার ও বন্ধুদের সাহায্যে সুযোগ্য জীবনসঙ্গীর খোঁজ পাবেন। এপ্রিল থেকে পরিস্থিতি খানিক বদলাবে। আপনার কাজ ও ব্যবসা সম্পর্কিত কারণে ছোট ছোট ভ্রমণের সুযোগ হতে পারে। জীবনসঙ্গীকে সময় কম দিতে পারবেন। জুলাই থেকে পরিস্থি্তি একটু খারাপ হে পারে, পারিবারিক জীবনে অশান্তি হতে পারে। অবিবাহিতদের বিয়ের সম্পর্কে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে সমস্যা হতে পারে। নভেম্বর থেকে বছরের শেষ পর্যন্ত সাবধানে কথা বলবেন।
কুম্ভ রাশি (২০ জানুয়ারি – ১৮ ফেব্রুয়ারি)
বছরের শুরুতে পারিবারিক ও প্রেমজীবনে কিছু মিশ্র অবস্থা থাকবে। নিজের ইগো, অহংকার পরিত্যাগ করুন। অত্যন্ত আত্মগর্ব প্রেম ও দাম্পত্যের জীবনকে প্রভাবিত করতে পারে। নিজের ভুল বুঝে সংশোধন করার চেষ্টা করুন, তাতে দাম্পত্য বা প্রণয়জীবন সুখের হবে। জুলাইয়ের মাঝ থেকে পরিস্থিতি খানিক পরিবর্তিত হবে। পারিবারিক জীবনে, প্রণয়ীর সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে পারবেন না, ফলে অশান্তির সম্ভাবনা। নভেম্বর থেকে বছরের শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি আপনার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। পারিবারিক জীবনে প্রতি মুহূর্তের আনন্দ নেবেন। বিবাহিতদের সন্তানপ্রাপ্তির সম্ভাবনা।
মীন রাশি ( ১৯ ফেব্রুয়ারি – ২০ মার্চ)
বছরের শুরুতে পারিবারিক ও প্রণয়সম্পর্কিত ব্যাপারে পরিস্থিতি মিশ্রিত থাকবে। পেশাগত জীবনের প্রভাব পড়বে আপনার উপর। কাজের কারণে মানসিক অস্থিরতার মধ্যে থাকবেন। তবে কাজে তাড়াহুড়ো করবেন না। প্রেম ও দাম্পত্যের আনন্দ নিতে অক্ষম হবেন তাঁদের। এপ্রিল থেকে নভেম্বর মাসের মাঝ পর্যন্ত নিজের প্রণয় জীবনে খানিকটা সমস্যা হতে পারে। অবিবাহিতরা নিজেকে দুর্বল বলে ভাবতে পারেন। আত্মবিশ্বাসও খানিকটা কমতে পারে। নভেম্বর থেকে বছরের শেষ অবধি পরিস্থিতি ইতিবাচক হবে। প্রিয়জনের সাথে রোম্যান্টিক ভ্রমণের সম্ভাবনা।
কোন সময়ে কি করবেন
সমগ্র জীবনের কোষ্ঠী "স্বর্ণ চক্র" সংগ্রহ করুন আজকেই

জ্যোতিষশাস্ত্র হল একটি ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিজ্ঞান যার নিজস্ব পদ্ধতি, দাবি এবং ফলাফল রয়েছে যা চিরকাল অনুপ্রাণিত করে এবং মানুষকে তাদের জীবনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি দেয়। এই দিকগুলির মধ্যে রয়েছে আপনার প্রেম-জীবন, পেশা, ব্যবসা, আর্থিক সমৃদ্ধি এবং আরও অনেক কিছু। এই সমস্ত দিকগুলি আমাদের জীবনকে কোনও না কোনওভাবে প্রভাবিত করে এবং আমরা সাধারণত তাদের ইতিবাচক পথে যেতে চাই। কিন্তু অবশ্যই, এটা সবসময় সম্ভব নয়। এমন এক সময় যখন জ্যোতিষশাস্ত্র  আপনার ত্রাণকর্তা হতে পারে।

বাড়িতে শান্তি বজায় রাখতে

জ্যোতিষ মতে এই নিয়মগুলি মেনে পান প্রতিকার

  • আজকাল অধিকাংশ বাড়িতে সুখ ও শান্তি বজায় থাকে না৷ ঝগড়াঝাটি প্রায় প্রত্যেক বাড়িতেই লেগে থাকে৷ মনে অশান্তি থাকলে আপনি কখনই চিন্তাগ্রস্ত হবেন না, কারণ আপনি এমন কিছু নিয়মের প্রয়োগ করতে পারেন, যাতে আপনি পরিবারের এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারবেন৷
    যদি কোনও ব্যক্তি এটা বোঝেন যে, বাড়িতে তার কথা কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে না, যদিও সে সঠিক বলে থাকে৷ এরকম সমস্যায় পড়লে নিয়মিত জলে অল্প গুড় মিশিয়ে নিচে দেওয়া মন্ত্রটি জপ করবার সাথে সাথে সূর্যকে অর্ঘ্য দিতে হবে৷
    মন্ত্র : ওঁ ঘৃনিঃ সূর্যায় নমঃ
    পারিবারিক কলহ অথবা বাড়িতে থাকা সদস্যদের নিজেদের মধ্যে  পারস্পরিক বোঝপাড়ায় কোনও সমস্যা হলে মাটির পাত্রে অল্প কাঁচা দুধ (অর্থাৎ যা কিনা আগুনে ফোটানো হয়নি) নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা মধু মেশান ও সেটিকে বাড়ির ছাদে, সমস্ত ঘরে, দালানে ও প্রধান দরজায় ছিটিয়ে দিন৷ অবস্থা স্থিতিশীল হবে৷
  • আমরা ৪৫ দিনের একটি বিশেষ কোর্স তৈরি করেছি। ভারতীয় প্রাচীন বিলুপ্তপ্রায় তান্ত্রিক উপায় প্রয়োগে এক জীবনে সফলতা প্রাপ্তির বিরাট সুযোগ। 
  • এই সুযোগ মাত্র ৯৯৯৯/- টাকায়

ভালবাসার মানুষকে সারা জীবন কাছে পেতে চান
আপনার নিত্য দিনের সমস্যায় আমাদের প্রতিকার ১০০% সফল

নিজেকে চিনুন

মেষ রাশি (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল)

অধিপতি গ্রহ: মঙ্গল। 
শুভ রত্ন: রক্তপ্রবাল, রুবি, গার্নেট। 
শুভ রং: লাল, হলুদ, সোনালি। 
শুভ সংখ্যা: ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৮, ৯। 
শুভ বার: মঙ্গল, শুক্র ও শনি।

 

বৈশিষ্ট্য: আপনি আশাবাদী ও সাহসী মনোবৃত্তিসম্পন্ন মানুষ। আপনি প্রাণবন্ত ও উদ্যমশীল। কিছুটা স্বেচ্ছাচারী। কারও কারও ক্ষেত্রে মাঝে মধ্যে হঠকারীতা করতে দেখা যায়। আপনি স্বাধীনচেতা ও দায়িত্ব নিতে ভালোবাসেন। একটু অনুপ্রেরণা পেলে যে কোনো কাজ ভালোভাবে করে তাক লাগিয়ে দিতে পারেন। সহজাতভাবেই আপনি মহৎ ও দয়ালু। বন্ধুদের প্রতি বিশ্বস্ত। যদিও কিছু মানুষ আপনাকে ভুল বুঝে।

আপনি আদর্শবাদী। ভবিষ্যতের আগামজ্ঞান আপনি সহজেই বুঝতে পারেন। বহুবিষয়ে আপনার দিকনির্দেশনা অন্যরা অনুসরণ করে। আপনার মধ্যে রয়েছে তেজ ও বীরত্ব।

মেষ রাশির জাতক জাতিকাদের শরীরের দুর্বলতম স্থান হচ্ছে মাথা, মুখ, মস্তিষ্ক ও চোখ। কারও কারও ক্ষেত্রে মাথায় আঘাত কিংবা মুখে আঘাতের দাগ থাকতে পারে।

বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল-২১ মে)

অধিপতি গ্রহ: শুক্র। 
শুভ রত্ন: হীরা, পান্না। 
শুভ রং: সবুজ, নীল, সাদা। 
শুভ সংখ্যা: ২, ৭, ৮, ৯। 
শুভ বার: শুক্র, শনি, সোম, বুধ।

 

বৈশিষ্ট্য: আপনি ধীরস্থির ও সহনশীল। উদার মন মানসিকতার অধিকারী। সহজেই অন্যকে আপন করে নিতে পারেন। কারও কারও ক্ষেত্রে একরোখা বা একগুঁয়ে হতে দেখা যায়। আপনি সবার সাথে ভালো ব্যবহার করতে ভালোবাসেন। অন্যের প্রতি আপনি যত্নশীল ও সমমর্মী। ঘরেবাইরে সব কিছু গুছিয়ে করতে পছন্দ করেন। আপনার এসব গুণের কারণে অনেক মানুষের ভালোবাসা পাবেন।

আপনি জানেন কীভাবে জীবনকে উপভোগ্য করে তুলতে হয়। ব্যক্তিগতভাবে আপনি আত্মনির্ভরশীলতা পছন্দ করেন। শিল্প, সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রতি আগ্রহ থাকতে পারে। লেখালেখিতেও আপনি বেশ ভালো করতে পারেন। বৃষ রাশির জাতক জাতিকারা সাধারণত রান্নায় পারদর্শী হন। সাজসজ্জা ও সৌন্দর্যপ্রীতি এদের সহজাত বৈশিষ্ট্য।

বৃষ রাশির জাতক জাতিকাদের থাইরয়েড গ্ল্যান্ড, গলা, ঘাঁড় ও কণ্ঠস্বর সংক্রান্ত সমস্যা ভুগতে দেখা যায়।

মিথুন রাশি (২২ মে-২১ জুন)

অধিপতি গ্রহ: বুধ। 
শুভ রত্ন: পোখরাজ ও পান্না। 
শুভ রং: সবুজ ও হলুদ। 
শুভ সংখ্যা: ৩, ৫, ৬, ৭। 
শুভ বার: সোম, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্র।

 

বৈশিষ্ট্য: আপনি বেশ রসিকতাজ্ঞান সম্পন্ন। বালক স্বভাবের হওয়ার কারণে একজায়গায় বেশি সময় বসে থাকা আপনার জন্য কঠিন। চঞ্চলতা ও কথামালায় চারপাশ মুখরিত করে রাখতে পারেন। ব্যবসায়িক দিক দিয়েও আপনি সাফল্য অর্জন করবেন। অশুভ বুধের প্রভাবে কারও কারও মিথ্যে বলার অভ্যাস থাকতে পারে।

সহজাতভাবে আপনি একজন দক্ষ সংগঠক। একসঙ্গে একাধিক কাজ করার দক্ষতা ও যোগ্যতা দুটোই আপনার মধ্যে রয়েছে। আপনি গল্প করতে খুব পছন্দ করেন। নতুন কোনো পরিবেশে গেলেও অনায়াসে আড্ডা জমিয়ে তুলতে পারেন। আপনার হৃদয় স্নেহ মমতা ও ভালোবাসায় পরিপূর্ণ। ক্রীড়া, সঙ্গীত ও লেখালেখিতে ভালো করতে পারবেন। জ্ঞানার্জনের প্রতি সহজাত আকর্ষণ রয়েছে। বই পড়তে খুবই পছন্দ করেন। সবসময়ই নিজেকে কোনো না কোনো কাজে ব্যস্ত রাখতে পছন্দ করেন। ব্যস্ততার মাঝেও এরা সময়কে সুন্দরভাবে কাজে লাগাতে পারেন। জীবনে অনেক ভ্রমণ করার সুযোগ পাবেন।মিথুন রাশির জাতক/জাতিকাদের প্রেস, পরিবহন, কুরিয়ার, ইনসিওরেন্স, সংবাদপত্র, আইন কিংবা শিক্ষকতা পেশায় সফল হতে দেখা যায়।

মিথুন রাশির জাতক জাতিকাদের কাঁধ ও হাত, স্নায়ুতন্ত্র ও শ্বাসকষ্ট এবং মস্তিষ্কের পীড়ায় আক্রান্ত হতে দেখা যায়। 

কর্কট রাশি (২২ জুন-২২ জুলাই)

অধিপতি গ্রহ: চন্দ্র। 
শুভ রত্ন: মুক্তা, মুনস্টোন। 
শুভ রং: সাদা, সোনালি, ক্রিম, হলুদ, লাল। 
শুভ সংখ্যা: ১, ৪, ৬, ৮। 
শুভ বার: সোম, শুক্র, বুধ।

 

বৈশিষ্ট্য: আপনি সাধারণত কোনো ধরনের ঝঞ্ঝাট চান না। পরিবারের প্রতি টান রয়েছে। চাপা স্বভাবের হওয়ার কারণে নিজেকে সামনের দিকে উপস্থাপন করতে চান না। পুরানো রীতিনিতির প্রতি আপনার আকর্ষণ রয়েছে।

আপনি যথেষ্ট কল্পনা প্রবণ ও কর্মঠ। আপনি সব ব্যাপারেই বুঝে শুনে চলেন। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে কাজে লেগে থাকার অসাধারণ গুণ আপনার রয়েছে। আপনার রয়েছে প্রখর স্মৃতিশক্তি।

আপনি পরনির্ভরতা পছ্ন্দ করেন না, আত্মনির্ভরশীল হওয়ার অদম্য ইচ্ছা রয়েছে আপনার। সঙ্গীত ও কলার প্রতি আগ্রহ থাকতে পারে। কর্কট রাশির জাতক জাতিকাদের ইনটুইশন ক্ষমতা প্রবল। অন্যের আবেগ ও অনুভূতি দ্বারা সহজেই প্রভাবিত হন। এরা যথেষ্ট অতিথি পরায়ণ ও আন্তরিক। সেবামূলক কাজে এদের সহজাত আকর্ষণ রয়েছে। অনেক সময় এরা অন্যকে অনুসরণ করার চেয়ে বেশি অনুকরণ করেন। পরবর্তীতে জীবনের হিসেব মিলাতে গিয়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। বাস্তবজীবনে এরা কোমল হৃদয়ের অধিকারী।

কর্কট রাশির জাতক জাতিকাদের বুক, স্তন, পেট ও খাদ্যনালীর সমস্যা থাকতে দেখা যায়। 

সিংহ রাশি (২৩ জুলাই-২৩ অগাস্ট)

অধিপতি গ্রহ: রবি। 
শুভ রত্ন: রুবি ও পান্না। 
শুভ রং: লাল, কমলা, সবুজ। 
শুভ সংখ্যা: ১, ৪, ৫, ৯। 
শুভ বার: রবি, মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্র।

 

বৈশিষ্ট্য: আপনি মহৎ উদার ও স্নেহশীল। আপনার রয়েছে দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি। আপনি অন্যের নিকট বিশ্বস্ত ও অধ্যবসায়ী। সবকিছু নিখুঁতভাবে করতে চান। আপনার জেদ ও একরোখা মনোভাবের কারণে অন্যের রোষাণলের শিকার হতে পারেন। আপনি ন্যায় বিচার করতে পছন্দ করেন।

আপনার মধ্যে সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণ রয়েছে। ব্যক্তিজীবনে আপনি কর্মঠ ও আত্মনির্ভরশীল। আপনি নেতৃত্ব দিতে চান। শিল্প, কলা, ক্রীড়া ও সংগীতের প্রতি আকর্ষণ থাকতে পারে। সহজাতভাবে আপনি অতিথি পরায়ণ। কাটছাট কথাবলার কারণে কেউ কেউ আপনাকে ভুল বুঝতে পারে। তবে হৃদয় আপনার ভালোবাসায় পরিপূর্ণ।

সিংহ রাশির জাতকজাতিকাদের বুক, হৃদপিণ্ড ও মেরুদণ্ড সংক্রান্ত সমস্যা থাকতে দেখা যায়। 

কন্যা রাশি (২৪ অগাস্ট-২৩ সেপ্টেম্বর)

অধিপতি গ্রহ: বুধ। 
শুভ রত্ন: পান্না, পোখরাজ। 
শুভ রং: সাদা, হলুদ, সবুজ। 
শুভ সংখ্যা: ৪, ৭, ৯। 
শুভ বার: সোম, বুধ, শুক্র ও বৃহস্পতি।

 

বৈশিষ্ট্য: আপনি সহজাত বুদ্ধি ও যুক্তির নিরিখে সিদ্ধান্ত নিতে পছন্দ করেন। প্রিয় মানুষের জন্য অকাতরে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে পারেন।

আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী কন্যা রাশির জাতক জাতিকারা তীক্ষ্ণ স্মৃতিশক্তির অধিকারী হয়ে থাকেন। এরা সচরাচর ভালোবাসার প্রতিদান পান না বলে মনে করেন। যে কারণে প্রায়ই অন্যের ওপর অভিমান করে থাকেন। তবে যাই হোক এরা সবসময় অন্যের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে ভালোবাসেন। ভালো কাজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আত্মতৃপ্তি পান। সঙ্গীত, গণিত, যুক্তি ও কর্ম দক্ষতায় এ রাশির জাতক জাতিকারা হন অনন্য। সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে এদের ওপর সহজেই গুরুত্বপূর্ণ কাজের দায়িত্ব অর্পন করতে দেখা যায়।

কন্যারাশির জাতক জাতিকাদের পাচনতন্ত্র, প্লীহা, অন্ত্র ও স্নায়ূতন্ত্রের সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়।

তুলা রাশি (২৪ সেপ্টেম্বর-২৩ অক্টোবর)

অধিপতি গ্রহ: শুক্র। 
শুভ রত্ন: হীরা, সাদা পোখরাজ, ইন্দ্রনীলা ও মুনস্টোন। 
শুভ রং: সাদা, কমলা, লাল। 
শুভ সংখ্যা: ১, ২, ৪, ৭। 
শুভ বার: রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ ও শনিবার।

 

বৈশিষ্ট্য: আপনার পছন্দ সামঞ্জস্যতা ও শৃঙ্খলা। আপনি বৈষম্য পছন্দ করেন না। খুব সহজেই মানুষকে আপন করে নেওয়ার মতো অসাধারণ গুণ আপনার রয়েছে। নতুন কোনো পরিবেশে গেলেও সঙ্গী জোগাড় করে নেওয়া আপনার জন্যে ব্যাপার না। এ রাশির জাতক/জাতিকাদের সঙ্গীত, ক্রীড়া কিংবা লেখালেখিতে ভালো করতে দেখা যায়। 

তুলা রাশির জাতক/জাতিকারা সাধারণত সুদর্শন ও সৌন্দর্যের পূজারি হয়। বাহ্যিক অবয়বে কারও কারও চুল কোকড়া হতে পারে। এর সাধারণত রোমান্টিক ও বুদ্ধিমান হয়ে থাকেন। সহজেই অন্যের সঙ্গে মিশতে পারেন। যোগাযোগমূলক কাজে এদের বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। এদের পছন্দ সাম্যতা। অন্যায় কর্ম এদের নীতিবিরুদ্ধ। যে কোনো কাজ এরা ধীরে ধীরে করতে পছন্দ করেন। অনেকের ক্ষেত্রেই এ কারণে ভাগ্যোন্নয়ণ বিলম্বিত হয়ে থাকে। কর্মস্থলে এদের মতো মমতাময়ী ও সহযোগী পাওয়া দুষ্কর। অধস্তনদের দক্ষতা উন্নয়ণে এরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তুলা রাশির জাতক জাতিকাদের শরীরের দুর্বলতম অঙ্গ হচ্ছে কিডনি, ত্বক, কটিদেশীয় অঞ্চল ও নিতম্ব।

বৃশ্চিক রাশি (২৪ অক্টোবর-২২ নভেম্বর)

অধিপতি গ্রহ: পাশ্চাত্যমতে প্লুটো, প্রাচ্যমতে মঙ্গল গ্রহ। 
শুভ রত্ন: রক্ত প্রবাল। 
শুভ রং: হলুদ, কমলা, লাল, সাদা।
শুভ সংখ্যা: ৩, ৪, ৯। 
শুভ বার: রবি, সোম, মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শুক্র।

 

বৈশিষ্ট্য:  আপনি আত্মসংযমী, দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ও গোপণীয়তা প্রিয়। নিজের দুঃখ কষ্ট সহজে অন্যকে বুঝতে দেন না। আপনি নিরিবিলি থাকতে বেশি পছন্দ করেন। সুযোগ বুঝে অন্যকে চমকে দিতে পারেন। জীবনের সকল অবস্থায় সততার সাথে প্রতিটি কাজ করতে চান। অতিন্দ্রীয় বিষয়ের প্রতি আগ্রহ থাকতে পারে। দায়িত্ব নেওয়ার মতো সাহস ও ধৈর্য আপনার রয়েছে। তবে একবার চটে গেলে আপনার কথাবার্তা বড় বেশি তীক্ষ্ণ ও কর্কশ হয়ে পড়ে।

বৃশ্চিক রাশির জাতক/জাতিকারা সাধারণত গবেষণামূলক কাজে দক্ষ হয়ে থাকেন। সঙ্গীত, কলা ও লেখালেখির প্রতি এদের সহজাত আকর্ষণ রয়েছে। লেখক হিসেবে এরা বেশ সুনাম কুড়াতে পারেন। এরা যথেষ্ট বুদ্ধিমান হয়ে থাকেন। তবে মাঝেমধ্যে নিজ ভুলে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন। প্রেম ও ভালোবাসার ক্ষেত্রেও এরা যথেষ্ট আন্তরিক।

বৃশ্চিক রাশির জাতক জাতিকাদের শরীরের দুর্বলতম অঙ্গ হচ্ছে গর্ভ, প্রজনন ও যৌণ অঙ্গ।

ধনু রাশি (২৩ নভেম্বর-২১ ডিসেম্বর)

অধিপতি গ্রহ: বৃহস্পতি। 
শুভ রত্ন: পোখরাজ, টোপাজ।
শুভ রং: সাদা, কমলা, সবুজ, উজ্জল নীল। 
শুভ সংখ্যা: ১, ৩, ৪, ৬, ৮, ৯।
শুভ বার: রবি, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্র।

 

বৈশিষ্ট্য: সনাতন ধারণার পাশাপাশি বিজ্ঞান ও দর্শনের প্রতি আপনার আগ্রহ রয়েছে। আবেগ বা কল্পনা নয় বাস্তবতার নিরিখে আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পছন্দ করেন। আপনি ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন।

আপনি নতুন কিছু অনায়াসে শিখতে পারেন। আপনি যথেষ্ট ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ও প্রকৃত জ্ঞানের অধিকারী। জীবনের অনেক ক্ষে্ত্রে অন্যরা আপনার দর্শন বুদ্ধি ও পরামর্শ অনুসরণ করে। স্রষ্টা সচেতনতা ও পরোপকারের মানসিকতা আপনাকে মানসিক প্রশান্তি দেবে। ব্যক্তিজীবনে আপনি সৎ। অন্যকেও সততা ও ভালো কাজে উৎসাহিত করতে ভালোবাসেন। অসতর্কতা ও অতিরিক্ত উদ্বিগ্নতার ফলে প্রায়ই ভুল বোঝাবুঝির শিকার শিকার হতে পারেন। তবে কারও সমালোচনা ও বিতর্ক করা থেকে বিরত থাকুন।

ধনু রাশির জাতক জাতিকাদের শরীরের দুর্বলতম অঙ্গ হচ্ছে যকৃত ও উরু।

 

 

মকর রাশি (২২ ডিসেম্বর-২০ জানুয়ারি)

অধিপতি গ্রহ: শনি। 
শুভ রত্ন: ইন্দ্রনীলা। 
শুভ রং: সাদা, কালো, লাল, নীল।
শুভ সংখ্যা: ৬, ৮, ৯। 
শুভ বার: মঙ্গল, বুধ, শুক্র ও শনি।

 

বৈশিষ্ট্য: আপনি কিছুটা আরামপ্রিয় ও ধীরস্থির। ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও পেশাগত জীবনে এ নিয়ে আপনাকে অনেক চড়াই উৎরাই পার হতে হবে। আপনি আগ বাড়িয়ে নতুন কারও সঙ্গে পরিচিত হওয়া বা সবার সাথে সহজে মিশতে পারেন না। নিজের মধ্যে জড়তা কাজ করে।

আপনি অধ্যবসায়ী, পরিশ্রমী ও স্বাধীনচেতা। জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই আপনি সহনশীল ও হিসেবী। জীবনে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই আপনার সাফল্য এসেছে। আর তাই আপনার জীবনদৃষ্টি অন্যদের চেয়ে আলাদা।

পুরানো রীতিনিতি মেনে চলতে আপনি পছন্দ করেন। নিজেকে সবসময় শুদ্ধ ও নিরাপদ রাখতে চান। আপনার দায়িত্বজ্ঞান ও সচেতনতার ফলে অন্যরা সহজে আপনাকে বিশ্বাস করে। রহস্যজনক বিষয়ের প্রতি আপনার ঝোঁক থাকতে পারে।

এ রাশির জাতক/জাতিকাদের জীবনে সাফল্য অর্জনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। সাফল্য সাধারণত বেশি বয়সে আসে। এরা সদা সতর্ক ও হিসেবী হয়ে থাকেন। আরামপ্রিয় বলে অনেক সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে। এরা যথেষ্ট কর্মশক্তির অধিকারী। সহজাতভাবে এদের মধ্যে সাংগঠনিক দক্ষতা রয়েছে। মাঝে মধ্যে আর্থিক সংকটের মধ্যে দিনাতিপাত করতে হয়। ভাগ্যোন্নয়ণে এদের কর্মের বিকল্প নেই। নানারকমের প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করার মাধ্যমে এদেরকে সামনের পথে এগিয়ে চলতে হয়। এরা বাস্তব জীবন সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা রাখেন বলে কল্পনায় ভেসে বেড়ান না।

শরীরের দুর্বলতম অঙ্গ হচ্ছে হাঁটু, জয়েন্ট, কংকালতন্ত্র ও রক্তসংবহনতন্ত্র। কারও কারও ক্ষেত্রে পায়ে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন কিংবা অসুবিধা থাকতে পারে।

কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি)

অধিপতি গ্রহ: পাশ্চাত্য মতে ইউরেনাস, প্রাচ্যমতে শনি। 
শুভ রত্ন: ইন্দ্রনীলা। 
শুভ রং: সাদা, লাল, হলুদ। 
শুভ সংখ্যা: ২, ৩, ৬, ৭, ৯। 
শুভ বার: সোম, মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শুক্র।

 

বৈশিষ্ট্য: আপনি যথেষ্ট ধৈর্যশীল ও সতর্ক। একাধিক বিষয়ের প্রতি আপনার আগ্রহ রয়েছে। প্রচলিত নিয়ম ও শৃঙ্খল ভেঙে আপনি নতুন কিছু করতে চান।

আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকারা সাধারণত স্বাধীনচেতা ও পরোপকারী হয়ে থাকেন। নিত্য নতুন আবিষ্কারের প্রতি এদের সহজাত আকর্ষণ রয়েছে। এরা যথেষ্ট পরিশ্রমী। ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবের সংখ্যা খুবই কম হয়ে থাকে। যোগাযোগমূলক কাজে এদের দক্ষতা বিশেষভাবে প্রশংসনীয়। কমবেশি সব বিষয় সম্পর্কে ধারণা রাখার চেষ্টা করেন। অধিকাংশ সময়ই এরা স্বাধীন পেশার প্রতি আগ্রহী হয়ে থাকেন। গতানুগতিক নিয়ম ও শৃঙ্খলার প্রতি এদের তীব্র অসন্তোষ লক্ষ্য করা যায়।

কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকাদের শরীরের দুর্বলতম স্থান হচ্ছে হাঁটু ও গোড়ালি। এদের মধ্যে কারও কারও পায়ে আঘাত, মচকানো বা অন্যকোনো সমস্যা থাকতে দেখা যায়। 

মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ)

অধিপতি গ্রহ: পাশ্চাত্য মতে নেপচুন। প্রাচ্যমতে বৃহস্পতি। 
শুভ রত্ন: পোখরাজ, গোমেদ ও সাদা জিরকন। 
শুভ রং: লাল, হলুদ, কমলা ও গোলাপি। 
শুভ সংখ্যা: ১, ৩, ৪, ৯। 

শুভ বার: রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতি।

 

বৈশিষ্ট্য: আপনি শান্ত প্রকৃতির। আপনার মধ্যে মানবিক গুণাবলী স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। আপনি পরোপকারী, জানেন মানুষকে কীভাবে ভালোবাসতে হয়।

আপনি সদা হাসিখুশি থাকতে পছন্দ করেন। নিজের কষ্ট সহজে অন্যকে বুঝতে দেন না। আপনি ভ্রমণ প্রিয়, দেশ বিদেশের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতে আপনি পছন্দ করেন। আচার ব্যবহারে যথেষ্ট আন্তরিকতা ও বন্ধুবৎসল হওয়ায় যে কোনো বয়সিদের সঙ্গে সহজেই মিশতে পারেন। যে কোনো কিছু ঘটার আগে ইনটুইশনের মাধ্যমে তা বুঝতে পারেন। রহস্যজনক বিষয়ের প্রতি আপনার অনুরাগ থাকবে।

এরা সাধারণত ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়ে থাকেন। জলজাতীয় পণ্য, কৃষি ও শিক্ষকতায় পেশায় এদের সফল হতে দেখা যায়্।

এ রাশির জাতক জাতিকাদের পায়ের পাতায় ও আঙুলে সমস্যা থাকতে দেখা যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে স্থূলতা, মেদাধিক্য থাকতে পারে। এছাড়াও পায়ের পাতা বেঁকে যাওয়া বা অন্য কোনো ধরনের আঘাত বা অসুবিধা থাকতে পারে।

রান্নাঘরে এই জিনিসটি যেন আপনার হাত থেকে কোনওদিন পড়ে না যায়; তাহলেই ঘটবে বিপদ

বাস্তু সমস্যা থাকলে জীবনে অনেক রকম কঠিন পরিস্থির সম্মুখীন হতে হয়। শরীর থেকে কেরিয়ার সব কিছুর সঙ্গেই কিন্তু জড়িয়ে বাস্তু। বাস্তুর সমস্যা হলে হাজারো চেষ্টাতেও কিন্তু সাফল্য আসবে না। যে কারণে জমি-বাড়ি কেনার সময় বার বার বাস্তু মিলিয়ে দেখার কথা বলা হয়। এই বাস্তুর পিছনেও কিন্তু থাকে বিজ্ঞান। কোনও ভাবে মনের উপর যদি নেগেটিভ কোনও প্রভাব পড়ে তাহলে কিন্তু তার ফল হয় সুদূরপ্রসারী। এছাড়াও নেতিবাচক কোনও কিছুই বেশিদিন মনের মধ্যে থাকা ঠিক নয়।বাস্তু অনুসারে ঘর সাজানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বাড়ির রান্নাঘর হল এমন জায়গা যেখানে বাস্তু ত্রুটি থাকলে সমস্যাগুলি আমাদের পিছু ছাড়ে না দীর্ঘকাল। বাস্তুশাস্ত্রে রান্নাঘর সম্পর্কে কিছু নিয়ম বলা হয়েছে। যেমন রান্নাঘরে এমন অনেক জিনিস আছে যা ঠিকমতো না রাখলে সমস্যা হতে পারে। এর মধ্যে একটি হল লবণ এবং এটি বাস্তু অনুসারে রাখা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। তবে আপনি কি জানেন এই নুন আপনার জীবনের অনেক সমস্যা দূর করতে পারে।

বাস্তু অনুযায়ী এই নুন যেমন সঠিক জায়গায় রাখা জরুরি, তেমনই এটি যদি ভুল করেও মেঝেতে পড়ে তাহলে জীবনে নেমে আসতে পারে অন্ধকার। রান্নার সময় খাবারে লবণ যোগ করা হলেও, অনেক সময় মানুষ খাওয়ার সময় পুনরায় লবণ যোগ করে খায়। এ কারণে বা অন্য কোনও কারণে লবণ মাটিতে পড়ে যায়। বাস্তু ও জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসারে লবণ পড়া শুভ নয়। বলা হয় যে লবণ শুক্র এবং চাঁদের সনফে সম্পর্কিত। নিয়ম অনুযায়ী লবণ পড়ে গেলে উভয় গ্রহের সঙ্গে যুক্ত অশুভ ফল আমাদের জীবনে সংকট তৈরি করতে পারে।এছাড়াও কখনও এঁটো হাত দিয়ে লবণ স্পর্শ করবেন না। এতে করে অর্থ সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দেয়। ভুল করে মাটিতে লবণ পড়লে ভুল করেও পা দিয়ে পরিষ্কার করবেন না। এটা খুবই অশুভ বলে মনে করা হয়। হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস অনুসারে, নুন কখনই ঋণে কেনা উচিত নয় এবং আপনি যদি দোকানদার হন তবে লবণ ধার দেবেন না। এটা করাও অশুভ বলে মনে করা হয়।বিশ্বাস করা হয় যে সপ্তাহে একবার বাড়ির কোণে লবণ ছিটিয়ে দেওয়া উচিত। এর ফলে নেতিবাচক শক্তি দূর হয় এবং ঘরে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে আমাদের আশেপাশে উপস্থিত নেগেটিভ এনার্জির মাত্রাকে কমাতে নুনের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। বিশেষত নুন জল দিয়ে ঘর মুছলে খারাপ শক্তি ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

শুধুই কি উপাসনার জন্য মন্ত্র জপ করেন ....

স্বাস্থ্যে এর অলৌকিক প্রভাব সম্পর্কে জানুন

কিছু মন্ত্র জপ করলে জিহ্বা, কণ্ঠতন্ত্র, ঠোঁট, তালু এবং শরীরের অন্যান্য সংযোগ বিন্দুতে চাপ পড়ে। মন্ত্র জপ হাইপোথ্যালামাস নামক একটি গ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে। এটি অনাক্রম্যতা বৃদ্ধি এবং কিছু সুখী হরমোন সহ শরীরের অনেক ফাংশন নিয়ন্ত্রণ করে। আপনি যত সুখী হবেন, আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তত শক্তিশালী হবে।

মন্ত্রের কিছু স্পন্দিত ধ্বনি মনকে শান্ত করে এমন হরমোনকে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করে। এটি আপনার শরীরকে বিশ্রাম দেয়। এটি আপনাকে মনোনিবেশ করতে সাহায্য করে এবং এইভাবে আপনার মনের জন্য একটি প্রশান্তিকারী হিসাবে কাজ করে। 

একটি গবেষণা এবং বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা মন্ত্র উচ্চারণ করেন তাদের একাগ্রতা এবং শেখার শক্তি বেশি ছিল। কারণ আপনি যখন জপ করেন তখন এটি আপনার মুখ এবং মাথার চক্রগুলিকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে যা একাগ্রতা এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।

মন্ত্র জপ করার মাধ্যমে একজন খুব শান্ত হয়ে যায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, যা আপনার হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করতে এবং আপনার হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

স্ট্রেস সংক্রান্ত সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। বৈদিক মন্ত্রগুলি একজন ব্যক্তিকে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেয়। মন্ত্রের জপ শরীরকে শিথিল করে এমন হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে। এটি মানসিক চাপ দূর করে। মন্ত্রের নিয়মিত জপ মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করে।

মন্ত্র জপ রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করতে এবং বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। মন্ত্র জপ করার শ্বাস-প্রশ্বাসের ধরণ আপনার ত্বককে অক্সিজেন দিতে সাহায্য করে। এটি ত্বককে তারুণ্য এবং উজ্জ্বল দেখায়।

বার্ষিক রাশিফল ২০২২

আপনি বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রের উপর ভিত্তি করে সমস্ত ১২ টি রাশির জীবন সম্পর্কিত প্রতিটি ছোট -বড় তথ্য পাবেন। এতে, ​​২০২২ সালের বার্ষিক ভবিষৎবাণী প্রদান করা হয়েছে, যার সাহায্যে এটি আপনাকে প্রতিটি প্রতিকূলতার জন্য আগাম প্রস্তুত করতে এবং সময়কে আরও ভাল করতে সাহায্য করবে।  গ্রহ এবং নক্ষত্রমণ্ডলীর সঠিক গণনা করে আপনার জন্য এই রাশিফল ​​তৈরি , যার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন ব্যবসা, চাকরি, সম্পদ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং পারিবারিক জীবনের ক্ষেত্রে আপনার জন্য কেমন থাকবে এবং আপনার নতুন বছর কেমন হবে ?

বার্ষিক রাশিফল ....

আগামী ২০২২ সমস্ত ১২ টি রাশির জীবনে কিছু বিশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নিয়ে আসবে , যা অবশ্যই আপনার জীবনের প্রায় সব ক্ষেত্রেই কোন না কোনভাবে প্রভাব ফেলবে।

২০২২ সাল মেষ রাশির জাতকদের মিশ্র ফল দেবে। এই সময়ের মধ্যে সাফল্য অর্জনের জন্য আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হতে পারে। তবে আপনি আপনার কঠোর পরিশ্রমের ভাল ফল পাবেন। এই বছর আপনার আর্থিক অবস্থার উন্নতির শক্তিশালী সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে আপনি প্রত্যাশিত ফলাফল পেতে পারেন, কিছু ক্ষেত্রে আপনি হতাশ হবেন। এই বছর আপনার ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

মঙ্গল গ্রহ মাসের শুরুতে অর্থাৎ ১৬ জানুয়ারি ধনু রাশিতে প্রবেশ করবে। মঙ্গলের প্রভাব আপনাকে আর্থিক দৃষ্টিকোণ থেকে অনুকূল ফল দেবে, সেইসাথে এই গোচরের প্রভাব মেষ রাশির জাতকদের জীবনেও ইতিবাচকতা আনবে। এছাড়াও, এপ্রিল গুরু বৃহস্পতির গোচরও তার নিজের রাশিতে অর্থাৎ মীন রাশিতে হবে, যার ফলে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী শিক্ষায় ব্যাপক সাফল্য পাবে। যেহেতু কর্মফল দানকারী শনি এই বছর অধিকাংশ অংশে আপনার দশম ভাবে উপস্থিত থাকবেন, তাই জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের জন্য আপনাকে আগের চেয়ে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।

বার্ষিক রাশিফল ২০২২ অনুসারে, ২০২২ সালের শুরু এই রাশির প্রেমী জাতকদের জীবনে কিছু চ্যালেঞ্জ দেখাচ্ছে। তার সাথেই শনি এবং বুধের সংমিশ্রণ ২০২২ সালের শুরু থেকে মার্চ পর্যন্ত, আপনার কিছু ছোটখাটো স্বাস্থ্য সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া, মধ্য মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত মীন রাশিতে মঙ্গলের গোচরের কারণে, আপনি হজম সংক্রান্ত সমস্যায়ও ভুগতে পারেন। এইরকম পরিস্থিতিতে, আপনার স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া, আপনার ডায়েটে মনোযোগ দিতে হবে। আগস্ট পর্যন্ত মঙ্গল দেব নিজের রাশিতেই হবে আর চতুর্থ ভাবে উনার দৃষ্টিও হবে, আর তারপরে উনি দ্বিতীয় ভাবে গোচর করবেন যারফলে আপনার পারিবারিক জীবনে বিশেষ প্রভাব দেখতে পাওয়া যাবে।

২০২২ সালে আপনার জীবনে উত্থান-পতন আসবে। প্রতিকূলতার মধ্যেও আপনি সাহসের সাথে প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবেন। এই বছরটি বৃষ রাশির শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। শিক্ষাক্ষেত্রে দারুণ সাফল্য পাবেন। বছরের মাঝামাঝি সময় খুব ভাল ফল পাবেন। এই সময়ে আপনার আর্থিক সমস্যার অবসান হতে পারে। পারিবারিক জীবনের ক্ষেত্রে এই সময়টি খুব শুভ হতে চলেছে। বাড়িতে সুখ আসবে এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক উন্নত হবে।

এই বছর আপনি জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ফলাফল প্রাপ্ত চলেছে । শুরুর মাসের মাঝামাঝি ১৬ জানুয়ারি মঙ্গল দেবের ধনু রাশিতে হতে চলা গোচর আপনার ভাগ্যের সাথ দিতে চলেছে। যা ফলে আপনি আপনার জীবনের অনেক ক্ষেত্রে অপার সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হবেন। এই বছর আপনি আপনার ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রেও অনুকূল ফলাফল পাবেন, সেইসাথে আপনি আপনার পেশাগত জীবনেও উন্নতি করতে সক্ষম হবেন। এর ছাড়াও, শনির আপনার রাশির নবম ভাবে উপস্থিতি আপনাকে আয়ের অনেক উৎস তৈরি করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে এই বছরের এপ্রিল মাসে, অনেক গ্রহের স্থান পরিবর্তন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আপনি এই সময়ে ধন -সম্পদ সঞ্চয় করতে সফল হবেন।

যদিও, বার্ষিক রাশিফল ​​২০২২ অনুসারে, এই বছরের আগস্ট এবং অক্টোবরের মধ্যে ধন সম্পর্কিত অনেক উত্থান -পতনের কারণে, আপনাকে কিছু আর্থিক সংকটের মোকাবেলা করতে হবে। এপ্রিলে মীন রাশিতে গুরু বৃহস্পতি গোচর করবে, যার ফলে আপনার একাদশ ভাব প্রভাবিত হবে। পরিণামস্বরূপ, আপনি আপনার সুখ-সুবিধা এবং নিজের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে মন খুলে ব্যয় করবেন। এ ছাড়া, অনেক বৃষ রাশির জাতক এই বছর তাদের সিনিয়ারদের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হবে। ২০২২ বছরের শেষ তিন মাস অর্থাৎ অক্টোবর, নভেম্বর এবং ডিসেম্বর আপনার সন্তানের জন্য সবচেয়ে অনুকূল হতে চলেছে।

২০২২ সালের শুরুটা মিথুন রাশির জাতকদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সময়ে আপনার স্বাস্থ্য ভাল থাকবে না। ব্যয় বৃদ্ধি আপনার দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিতে পারে। গ্রহের নেতিবাচক প্রভাবের কারণে আপনার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজে বাধা আসতে পারে। এপ্রিলের পরের সময়টি আপনার জীবনে স্বস্তি নিয়ে আসবে। এই রাশির বেকারদের অগস্টের শেষের দিকে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আপনার প্রিয়জনের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় রাখার চেষ্টা করুন।

গ্রহের স্থিতি এই ইঙ্গিত করছে যে এই বছর মিথুন রাশির জাতকদের জীবনে অনেক চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি অনেক ভাল সুযোগ পেতে চলেছে। এই বছরের শুরুতে, জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত শনি দেব আপনার রাশির নিজেরই অষ্টম ভাবে উপস্থিত থাকবেন। যার ফলে আপনার কিছু আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং সমস্যার সম্মুখীন করতে হতে পারে। এই সময়টি মিথুন রাশির মানুষের জন্য পরীক্ষার সময় হিসেবে প্রমাণিত হবে। এছাড়া ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে এপ্রিল পর্যন্ত আপনি অনেক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগতে পারেন যেমন অ্যাসিডিটি, জয়েন্টে ব্যথা, সর্দি-কাশি ইত্যাদি।

যদিও, এপ্রিলের মাঝামাঝি পরে, রাহুর গোচর একাদশ ভাবে গোচর হওয়ার ফলে, মিথুন রাশির জাতকদের জীবনে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এর পরে, এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মধ্যে, যখন মীন রাশিতে বৃহস্পতির গোচর হবে, তখন সেই সময়টি বেশিরভাগ শিক্ষার্থীদের জন্য ভাগ্যবান প্রমাণিত হবে। কারণ এই সময়ে মিথুন রাশির শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষায় ইচ্ছানুসার ফলাফল পেতে সক্ষম হবে। এটি উল্লেখযোগ্য যে ২৭ এপ্রিলের পরে আপনার রাশির নবম ভাবে শনি দেবের স্থান পরিবর্তন ইঙ্গিত দিতে পারে যে যারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের সাফল্য পেতে আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। অন্যদিকে, যারা চাকরি খুঁজছেন তারা মে এবং আগস্টের মধ্যে ভাল ফলাফল পাবেন। কারণ এই সময়ে, মঙ্গল দেব গোচর করার সময়, আপনার রাশি থেকে দশম, একাদশ এবং দ্বাদশ ভাবে প্রবেশ করবে, যা আপনাকে অনেক ভাল সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা দেবে।

বছরের শুরুতে আপনি আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। এই সময়ে অর্থ নিয়ে আপনার দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাদ বাড়তে পারে, পাশাপাশি আপনি আপনার কাজ নিয়ে চিন্তিত থাকবেন। আপনি যদি পার্টনারশিপে ব্যবসা করছেন, তবে এই সময়টি আপনার জন্য খুব চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। ব্যবসায় সমস্যা দেখা দিতে পারে। এপ্রিল থেকে অগস্ট পর্যন্ত সময়টি আপনার জন্য স্বস্তিদায়ক হবে। এই সময়ে আপনার ভাগ্য পরিবর্তন হতে পারে। আপনার বুদ্ধি এবং কঠোর পরিশ্রম দিয়ে আপনি ব্যর্থতাকে সাফল্যে পরিণত করতে পারেন।

এই বছরের শুরুতে আপনার রাশির সপ্তম ভাবে উপস্থিত শনিদেবের প্রভাব জীবনে অনেক সমস্যার জন্ম তো দেবে, কিন্তু ১৬ ই জানুয়ারি ধনু রাশিতে মঙ্গলের গোচর, আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে এবং এটি আপনাকে অবিলম্বে অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করবে। তবে, স্বাচ্ছন্দ্য এবং সুখের অনুভূতিতে মঙ্গলের উপস্থিতি আপনার মাকে অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা দিতেও কাজ করবে। অতএব, উনার ভাল যত্ন নিন, উনার খাবারের প্রতি বিশেষ যত্ন নিন।

এর পরে, এপ্রিল মাসে অন্যান্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ গ্রহের গোচর এবং রদবদল হবে, যা আপনার জীবনে অনেক পরিবর্তন আনবে। এর সাথে, এই বছর কুম্ভ রাশিতে শনির গোচরের কারণে আপনার আর্থিক জীবন প্রভাবিত হবে। যদিও, এপ্রিলের শেষ থেকে মধ্য জুলাই পর্যন্ত সময়টি আপনার জন্য ফলদায়ী প্রমাণিত হতে চলেছে। যদিও এরপরে এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্তের সময় আপনার জন্য ফলদায়ী হতে চলেছে। গুরু বৃহস্পতি মধ্য এপ্রিল কে মীন রাশিতে নবম ভাবে নিজের গোচর করবে, যার পরিণামস্বরূপ আপনার জীবনে কিছু পজেটিভিটি আসবে আর আপনি আপনার জীবনে উপস্থিত সমস্যাগুলি সমাপ্ত করতে সক্ষম হবে। এর পরে, মেষ রাশিতে রাহু গ্রহের গোচর আপনাকে অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগ দেবে। ছায়া গ্রহ রাহুর শুভ স্থিতি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কর্কট রাশির জাতক জাতিকাদের ভাগ্যের সাথ দিবে। জুন-জুলাইয়ের মধ্যে, মেষ রাশিতে প্রবেশ করে মঙ্গলে আপনার রাশির একটি সম্পূর্ণ দৃষ্টি করবে। যার ফলে বিবাহিত ব্যক্তিরা তাদের বিবাহিত জীবনে সব ধরনের প্রতিকূলতা থেকে মুক্তি পেতে সক্ষম হবে।

নতুন বছর সিংহ রাশির জাতকদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। বছরের শুরুতে আপনার জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। এই সময়ে সন্তানের দিক থেকে সুখ আসবে। তার স্বাস্থ্য ভাল থাকবে এবং শিক্ষাক্ষেত্র থেকে প্রশংসা আসবে। টাকা সংক্রান্ত দুশ্চিন্তা থেকেও মুক্তি পেতে পারেন। বছরের মাঝামাঝি সময়ে আপনাকে একটু সাবধানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এই সময়ে আপনি আপনার স্বাস্থ্য নিয়ে খুব চিন্তিত থাকবেন এবং স্বাস্থ্যের জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয়ও হতে পারে। বছরের শেষ মাসগুলিতে আপনার বিবাহিত জীবনে অনেক উত্থান-পতনের পরে স্থিতিশীলতা আসবে।

এই বছরটি সিংহ রাশির জাতকদের জন্য মিশ্র থাকবে। আপনার রাশির পঞ্চম ভাবে বৃহস্পতির উপস্থিতি, বিশেষ করে শুরুর সময় অর্থাৎ জানুয়ারী মাসে, আপনার আর্থিক জীবনে ইতিবাচকতা আনতে কাজ করবে। এর সাথে, জানুয়ারির শেষ থেকে মার্চ পর্যন্ত, মঙ্গল গ্রহের গোচর আপনার সন্তানের স্বাস্থ্যের সঠিক উন্নতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। যারফলে আপনাকে তাদের সাথে কিছু সময় কাটাতে দেখা যাবে। ২৫ জানুয়ারি, আপনার রাশি থেকে মঙ্গল ষষ্ঠ ভাবে উপস্থিত হবে, যা কুন্ডলীর ভাগ্য ভাব। এই সময় আপনি কর্মক্ষেত্রে সবচেয়ে ইতিবাচক ফলাফল পাবেন, যার কারণে আপনি প্রচুর সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হবেন।

যদিও, এই বছর সিংহ রাশির জাতকদের একটু বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, বিশেষ করে ফেব্রুয়ারি এবং এপ্রিল মাসে। কারণ এই সময়ে অনেক গ্রহের সংমিশ্রণ এবং রদবদল আপনাকে প্রতিকূল ফলাফল দিতে কাজ করবে।

এপ্রিল মাসটি সিংহ রাশির জাতকদের জন্য কিছু অপ্রকাশিত ঘটনাতে ভরে থাকবে। এছাড়াও, ১২ এপ্রিল ছায়াগ্রহ রাহুর মেষ রাশিতে হতে চলা গোচর আপনার নবম ভাবে প্রভাব ফেলবে। যার ফলে আপনার কিছু স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সমস্যার সম্মুখীন করতে হবে, এমন পরিস্থিতিতে আপনার স্বাস্থ্যের যত্ন নিন এবং ভাল খাবার গ্রহণ করুন। ১৬ এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত, মীন রাশিতে প্রবেশ করার সময় বৃহস্পতি আপনার পঞ্চম ভাবে থাকবে। যার ফলস্বরূপ, আপনি জীবনে ভাগ্যের সমর্থন পাবেন এবং মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণকারী অধিকাংশ শিক্ষার্থী, এটি তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী প্রতিটি পরীক্ষায় ব্যাপক সাফল্য অর্জনের সম্ভাবনাও তৈরি করবে।

এরপরে, ২২ এপ্রিলের পরে, মেষ রাশিতে রাহুর উপস্থিতির ফলে কর্মক্ষেত্রে আপনার বস এবং বরিষ্ঠ অধিকারীর সাথে আপনার সম্পর্ক উন্নত করতে সহায়ক হবে। কর্মক্ষেত্রে আপনার পদ-প্রতিষ্ঠা বৃদ্ধি ছাড়াও, আপনার পদোন্নতি এবং বেতন বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে। আপনি যদি বিবাহিত হন এবং আপনার স্ত্রীর সাথে আপনার কোন বিবাদ চলছে, তাহলে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে, আপনাদের মধ্যে সমস্ত বিরোধ দূর করে, আপনি আপনার স্ত্রীর সাথে ভ্রমণে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন। এছাড়া, ১০ আগস্ট থেকে অক্টোবরের মধ্যে মঙ্গল দেবের বৃষ রাশিতে হতে চলা গোচর আপনার জন্য ভাগ্যবান প্রমাণিত হবে। যার ফলে আপনি অসাধারণ সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হবেন।

২০২২ সালটি কন্যা রাশির জাতকদের জন্য খুব শুভ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বছরের শুরুর দিনগুলো দারুণ স্বস্তির হতে পারে। এই সময়ে আপনার আর্থিক অবস্থা শক্তিশালী হবে। আপনি কম পরিশ্রমে ভাল অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এই বছর আপনি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ভাল সাফল্য পেতে পারেন। যদি আপনার কাজে কোনও বাধা আসে, তবে আপনি সম্পূর্ণ সাহসের সাথে প্রতিটি বাধা অতিক্রম করতে সক্ষম হবেন। আপনার ব্যক্তিগত জীবনে উত্থান-পতন থাকবেই। তাই বিবাহিত জীবনে আপনাকে আরও মনোযোগ দিতে হবে।

জানুয়ারী মাসে ধনু রাশিতে মঙ্গল দেবের হতে চলা গোচর, আপনাকে ধন এবং আর্থিক সমৃদ্ধি দিতে কাজ করবে এবং আপনাকে আপনার সমস্ত আর্থিক অসুবিধা থেকে মুক্তি পাবেন। যদিও, স্বাস্থ্যের দিক থেকে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে, কারণ এই সময়টি আপনাকে স্বাস্থ্যের কিছুটা অবনতিও দিতে পারে। এর পরে, এপ্রিল, জুন এবং সেপ্টেম্বর মাসগুলি আপনার জন্য কিছুটা প্রতিকূল হবে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে, আপনাকে আপনার স্বাস্থ্যের বিষয়ে সর্বাধিক সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এই বছরের মার্চের শুরুতে চারটি প্রধান গ্রহের উপস্থিতি: শনি, মঙ্গল, বুধ এবং শুক্র একসাথে "চতুরগ্রহ যোগ" গঠনের জন্য কন্যা রাশির জাতকদের আয়ের নতুন উৎস থেকে ভাল মুনাফা অর্জন করতে সাহায্য করবে। এর পরে, এপ্রিলের শেষে, শনি তার অবস্থান পরিবর্তন করতে করতে কুম্ভ রাশিতে উপস্থিত হবে, যার ফলে আপনার ষষ্ঠ ভাব সক্রিয় থাকবে এবং জুন পর্যন্ত এখানে শনির উপস্থিতি আপনার এবং আপনার পরিবারের মধ্যে কিছু মতভেদাভেদ তৈরি করতে চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে, পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলার সময়, সঠিক ব্যবহার করুন। যারা শিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছিলেন, তারা সম্ভবত সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত খুব অনুকূল ফলাফল পাবে। এর সাথে তুলার রাশিতে বুধ গ্রহের গোচর আপনার দ্বিতীয় ভাবকে প্রভাবিত করবে এবং এর কারণে অক্টোবর থেকে মধ্য নভেম্বর পর্যন্ত আপনার প্রেমের সম্পর্কে ইতিবাচকতা থাকবে।

কোন সময়ে কি করবেন
সমগ্র জীবনের কোষ্ঠী "স্বর্ণ চক্র" সংগ্রহ করুন আজকেই

জ্যোতিষশাস্ত্র হল একটি ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিজ্ঞান যার নিজস্ব পদ্ধতি, দাবি এবং ফলাফল রয়েছে যা চিরকাল অনুপ্রাণিত করে এবং মানুষকে তাদের জীবনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি দেয়। এই দিকগুলির মধ্যে রয়েছে আপনার প্রেম-জীবন, পেশা, ব্যবসা, আর্থিক সমৃদ্ধি এবং আরও অনেক কিছু। এই সমস্ত দিকগুলি আমাদের জীবনকে কোনও না কোনওভাবে প্রভাবিত করে এবং আমরা সাধারণত তাদের ইতিবাচক পথে যেতে চাই। কিন্তু অবশ্যই, এটা সবসময় সম্ভব নয়। এমন এক সময় যখন জ্যোতিষশাস্ত্র  আপনার ত্রাণকর্তা হতে পারে।

বার্ষিক রাশিফল ২০২২

আপনি বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রের উপর ভিত্তি করে সমস্ত ১২ টি রাশির জীবন সম্পর্কিত প্রতিটি ছোট -বড় তথ্য পাবেন। এতে, ​​২০২২ সালের বার্ষিক ভবিষৎবাণী প্রদান করা হয়েছে, যার সাহায্যে এটি আপনাকে প্রতিটি প্রতিকূলতার জন্য আগাম প্রস্তুত করতে এবং সময়কে আরও ভাল করতে সাহায্য করবে।  গ্রহ এবং নক্ষত্রমণ্ডলীর সঠিক গণনা করে আপনার জন্য এই রাশিফল ​​তৈরি , যার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন ব্যবসা, চাকরি, সম্পদ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং পারিবারিক জীবনের ক্ষেত্রে আপনার জন্য কেমন থাকবে এবং আপনার নতুন বছর কেমন হবে ?

বার্ষিক রাশিফল ....

আগামী ২০২২ সমস্ত ১২ টি রাশির জীবনে কিছু বিশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নিয়ে আসবে , যা অবশ্যই আপনার জীবনের প্রায় সব ক্ষেত্রেই কোন না কোনভাবে প্রভাব ফেলবে।

তুলা রাশির জাতকরা কিছু ক্ষেত্রে বড় স্বস্তি পেতে পারেন। চাকুরিজীবীদের পদোন্নতি হতে পারে। আপনার আয় বৃদ্ধি হতে পারে। এই বছরটি ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। অনেক কঠিন সংগ্রামের পর আপনি সফলতা পাবেন। কাজে বাধা আসতে পারে। বছরের মাঝামাঝি সময়ে আপনার বিবাহিত জীবনে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। এই রাশির অবিবাহিতদের জন্য নভেম্বরের পর বিবাহের যোগ আছে।

তুলা রাশির জাতকদের নতুন বছর ​​২০২২ এর শুরুতে শারীরিক, মানসিক এবং কর্মজীবন সম্পর্কিত অনুকূল ফলাফল মিলবে। কিন্তু ব্যবসা এবং পরিবারের ব্যাপারে কথা বলতে গেলে, পরিস্থিতি কিছুটা বেদনাদায়ক হতে চলেছে। মধ্য জানুয়ারিতে ধনু রাশিতে মঙ্গল গ্রহের গোচরও আপনাকে আর্থিক জীবনে শুভ ফল দিতে চলেছে, যার ফলস্বরূপ আপনি আপনার সম্পদ সঞ্চয় করতে সফল হবেন। এর পরে, মার্চের শুরুতে শনি, মঙ্গল, বুধ এবং শুক্র মিলে আপনার রাশিতে 'চতুরগ্রহ যোগ' গঠন করবে এবং এটি আপনার সমস্ত আর্থিক বাধা দূর করবে এবং আপনার আয় বাড়াবে।

অন্যদিকে, যদি আমরা ছাত্রদের ব্যাপারে কথা বলি, তাহলে এপ্রিল মাসে মীন রাশিতে বৃহস্পতির গোচর তুলা রাশির ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার ক্ষেত্রে ইচ্ছানুসারে পরিনাম দেবে। তারপর মে থেকে নভেম্বরের মধ্যে, আপনি কোন বিদেশী ভূমি, চাকরি বা শিক্ষা সম্পর্কিত কিছু ভাল খবর পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি আপনার রাশির চতুর্থ ভাবে লাল গ্রহ মঙ্গলের গোচরও এই রাশির শিক্ষার্থীদের স্বার্থক পরিনাম ফলাফল দেওয়ার দিকে ইশারা করছে। যেখানে এপ্রিল মাসে, মেষ রাশিতে ছায়াগ্রহ রাহুর উপস্থিতি এবং আপনার সপ্তম ভাবে এর প্রভাব প্রেমের সম্পর্কের সাথে-সাথে বিবাহিতদের জীবনে অনেক বড় পরিবর্তন নিয়ে আসতে চলেছে। যারা এখনও অবিবাহিত, তারা সম্ভবত ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মধ্যে পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সুযোগ পাবে।

অর্থের দিক থেকে ২০২২ সাল বৃশ্চিক রাশির জাতকদের জন্য মিশ্র হবে। এই সময়ে আপনি না চাইলেও আপনাকে বড় খরচ করতে হতে পারে। ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের কারণে আপনার আর্থিক অবস্থাও খারাপ হতে পারে। বছরের প্রথম মাসগুলিতে আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হতে পারেন, তবে আপনি সেপ্টেম্বর মাসে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন। এবছর কাজের ক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার ভাল সুযোগ পেতে পারেন। অলসতা ত্যাগ করুন এবং সম্পূর্ণ শক্তি ও উদ্যম নিয়ে এগিয়ে যান। প্রেমের জীবনে উত্থান-পতন হতে পারে।

নতুন বছর বৃশ্চিক রাশির জাতকদের জন্য মিশ্র ফল নিয়ে আসবে। ২০২২ সালের শুরু থেকে এপ্রিল পর্যন্ত, আপনাকে অনেক অপ্রয়োজনীয় খরচ মোকাবেলা করতে হবে। তারপরে এপ্রিলের শেষের দিকে, কুম্ভ রাশিতে শনির গোচর আপনার কর্মজীবন, আর্থিক জীবন এবং পারিবারিক জীবনে মিশ্র পরিনাম দেওয়ার কাজ করবে। এর পরে, এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে মীন রাশিতে বৃহস্পতির হতে চলা গোচর আপনার রাশিচক্রের পঞ্চম ভাবকে প্রভাব করবে। যার পরিণামস্বরূপ আপনার অবস্থা ভালো হবে এবং আপনি কিছু আর্থিক সংকট থেকে মুক্তি পাবেন। এর সাথে, এই মাসের ১২ এপ্রিল, রাহুর অবস্থান পরিবর্তন আপনার স্বাস্থ্যের যথাযথ উন্নতির যোগ তৈরি করবে। যদিও, এরপরেও আপনি মানসিকভাবে অনেকটা চাপে থাকবেন, যা আপনার জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করবে।

এই বছর মে থেকে সেপ্টেম্বর মাঝে, অনেক শুভ গ্রহের অনুকূল স্থিতির কারণে, আপনি ভাল অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হবেন। তারপর সেপ্টেম্বর মাসে আপনার লাভ ও মুনাফার ভাবে শুক্র গ্রহের হতে চলা গোচর আপনাকে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ এবং মুনাফা দেবে। এর পরে, ১২ আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত, আপনার নবম ভাবে শুক্রের গোচর আপনার মায়ের যত্নের দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই অবস্থায়, এই সময় তার স্বাস্থ্যের যত্ন নিন এবং তার খাবারের প্রতি বিশেষ সাবধান থাকুন।

যদি আমরা আপনার প্রেমের জীবনের দেখি তাহলে, এপ্রিলের শেষে কুম্ভ রাশিতে শনির স্থানান্তর এবং তার আপনার চতুর্থ ভাবে বিরাজমান হওয়া, আপনার এবং আপনার প্রিয়জনের মধ্যে অনেক ছোট-ছোট বিষয় নিয়ে তর্ক এবং ঝগড়ার সৃষ্টি করবে। যদিও, এই সময় আপনাকে এই সুন্দর সম্পর্কে ভরসা রেখে আপনার প্রেমিকার সাথে সব ধরনের ঝগড়া করা এড়াতে হবে। এছাড়া, সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত কন্যা রাশিতে শুক্র গ্রহের গোচর, আপনার একাদশ ভাবকে প্রভাবিত করবে। যে কারণে শুক্র আপনার রাশিতে দুর্বল অবস্থানে থেকে, এটি আপনাকে এবং আপনার প্রিয়জনকে একে অপরকে বোঝার জন্য অনেক সময় দেবে এবং পরিণামস্বরূপ, আপনারা দুজনেই একসাথে প্রতিটি বিরোধ সমাধান করতে এবং একটি ভাল সময় কাটাতে সক্ষম হবেন।

নতুন বছরের শুরুটা আপনার জন্য ভাল হবে। এই সময়ে অর্থ সংক্রান্ত প্রচেষ্টা সফল হতে পারে এবং আপনার আর্থিক সমস্যা কেটে যেতে পারে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় আসা ছোটো-বড় প্রতিটি বাধা দূর হয়ে যাবে এবং আপনি আপনার পড়াশুনা নিষ্ঠার সাথে করতে পারবেন। গ্রহের নেতিবাচক প্রভাবের কারণে এই সময়ে আপনার মানসিক উদ্বেগও বাড়তে পারে। প্রেম ও বিবাহিত জীবনে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে পারেন। এই সময়ে আপনার কথাবার্তায় অনেক তিক্ততা থাকবে। বছরের শেষের দিকে কর্মক্ষেত্রে ভাল সাফল্য পেতে পারেন।

ধনু রাশির জাতকদের জন্য সাল ২০২২, বিশেষ করে অর্থনৈতিক ব্যাপারে অনুকূল থাকবে। সাল ২০২২ এর শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারিতে মঙ্গল গ্রহের আপনার নিজের রাশিতে হতে চলা গোচর ,আপনাকে অর্থ সম্পর্কিত সমস্ত বিষয়ে একটি শক্তিশালী অবস্থান পেতে সহায়তা করবে। শিক্ষার দিক থেকেও, ২০২২ সালের শুরু ধনু রাশির শিক্ষার্থীদের জন্য অনুকূল হবে। তারপরে ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত, আপনি আপনার কঠোর পরিশ্রম অনুযায়ী ফলাফল পাবেন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন শিক্ষার্থীরা এই সময় তাদের প্রত্যাশা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন।

যদিও, এই বছরের শুরুতে ধনু রাশিতে মঙ্গল গ্রহের গোচরের কারণে অনেক জাতকদের মানসিক চিন্তা এবং চাপের কারণ হবে। তার সাথে, মঙ্গলের আপনার সপ্তম ভাবের দিকে দৃষ্টি পারিবারিক জীবনেও কিছু মতভেদ উৎপন্ন করতে পারে। এবার যদি কথা বলা হয়, আপনার বিবাহিত জীবন এবং প্রেমের জীবন সম্পর্কে তাহলে, জানুয়ারিতে সূর্য্য দেবের কর্মফলদাতা শনির সাথে মকর রাশির মিলন আপনার এবং আপনার সঙ্গীর মধ্যে অনেক ধরণের সমস্যা এবং ভুল বোঝাবুঝির জন্ম দিতে পারে। এইরকম পরিস্থিতিতে, আপনাকে বিশেষভাবে আপনার ভাষাগুলিতে নিয়ন্ত্রণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে গুরু বৃহস্পতি নিজেরই রাশি মীন রাশিতে গোচর করা পরিস্থিতির কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসবে। যার ফলস্বরূপ জুন থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত, আপনার বিবাহিত জীবনে অনেক বড় পরিবর্তন হবে এবং আপনাকে এই সালের শেষ পর্যায়ে আপনার বিবাহিত জীবনের আনন্দ মন খুলে উপভোগ করতে দেখা যাবে। কেননা এই সময় গুরু বৃহস্পতি আপনার রাশি থেকে চতুর্থ ভাবে বিরাজমান হবে। যদি আমরা কথা বলি আপনার পেশাগত জীবনের তাহলে, নভেম্বর থেকে আপনার জীবনে আমদানীর নতুন উৎস উন্মোচিত হবে। স্বাস্থ্যের দিক থেকেও, জুন মাসে আপনার ষষ্ঠ ভাবে শুক্রের গোচর আপনাকে অক্টোবর পর্যন্ত সব ধরণের বড় এবং গুরুতর রোগ সম্পর্কে সচেতন হতে সাহায্য করবে।

এই বছর মকর রাশির জাতকদের জীবনে অনেক চ্যালেঞ্জ আসতে পারে, তবে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আপনি পূর্ণ সাহসের সাথে কাজ করবেন। শনিদেবের কৃপায় আপনার পথে আসা বাধা দূর হবে। স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখুন। ছোটোখাটো সমস্যাকে উপেক্ষা করার মতো ভুল করবেন না। আর্থিক দিকেও সতর্ক থাকুন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক মজবুত রাখতে, আপনাকে তাদের যথেষ্ট সময় দিতে হবে। ঘরের কোনও সমস্যা শান্তভাবে সমাধান করার চেষ্টা করুন। জীবনসঙ্গীর সাথে কোথাও যাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

এই সাল মকর রাশির জাতকদের জন্য উত্থান -পতন পূর্ণ বলে প্রমাণিত হবে। এই বছরের শুরুর দিকে নিজস্ব রাশিতে শনির স্থান পরিবর্তন, আপনার ক্যারিয়ার, আর্থিক এবং শিক্ষার জন্য খুব অনুকূল প্রমাণিত হতে চলেছে। যদিও, এপ্রিল মাসে, আপনাকে জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।

অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে, আপনার রাশি থেকে দ্বাদশ ভাবে মঙ্গলের গোচর আপনাকে অর্থ সংক্রান্ত সমস্যা দেবে। যার ফলে আপনি আপনার টাকা সঞ্চয় করতে ব্যর্থ হবেন। যদিও, ব্যবসায়ীদের জন্য, সেপ্টেম্বর থেকে বছরের শেষ সময় পর্যন্ত খুব ফলদায়ী প্রমাণিত হবে। আপনার স্বাস্থ্যের কথা বলতে গেলে, এপ্রিল মাসে কুম্ভ রাশিতে শনির গোচর আপনাকে কিছু ছোটখাটো স্বাস্থ্য সমস্যা দিতে পারে। সেইজন্য নিজের খাবার-দাবারে ভাল করে খেয়াল রাখুন রাখুন এবং প্রতিদিন যোগ এবং ব্যায়াম করুন। এ ছাড়া, সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে, আপনাকে কঠোরভাবে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যে হজম বা পেট সংক্রান্ত কোন সমস্যা উপেক্ষা করবেন না এবং প্রয়োজনে একজন ভাল ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

শিক্ষার্থীদের জন্য, জানুয়ারী মাসে, মঙ্গল গ্রহের গোচর আপনাকে অতিরিক্ত পরিশ্রম এবং প্রচেষ্টা করাতে চলেছে। এ ছাড়া, এই বছরের শুরুতে ছায়া গ্রহ কেতুও বৃশ্চিক রাশিতে উপস্থিতি হওয়া আপনার জীবনে অনেক পারিবারিক সমস্যার জন্ম দিতে পারে। এইরকম পরিস্থিতিতে, আপনাকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যে আপনি আপনার পরিবারের সদস্যদের সাথে আপনার সম্পর্ক ভালো করুন এবং ছোট-ছোট বিষয়ে তাদের সাথে তর্ক করবেন না।

প্রেমের সম্পর্কের সাথে-সাথে এবং বিবাহিত জীবনেও, আপনি এই সময় মিশ্র ফলাফল পাবেন। এপ্রিল মাসে আপনার রাশিচক্র থেকে তৃতীয় ভাবে বৃহস্পতি গ্রহের গোচর, বিশেষ করে ভালোবাসায় জড়িত প্রেমীদের জন্য অনুকূল ফল দেবে। একই ভাবে, এই বছরের শুরুতে বিবাহিত জাতকদের জীবনে কিছু ছোটখাটো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু আগস্টের পরের সময়টি আপনার বিবাহিত জীবনের জন্য সবথেকে উত্তম থাকার দিকে ইশারা করছে। এই সময় আপনি আপনার জীবনসঙ্গীর সাথে কোন সুন্দর জাগাতে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন। বছরের শেষটি বিবাহিত জাতকদের জন্যও অনুকূল প্রমাণিত হবে।

কর্মক্ষেত্রে এই বছরটি খুব শুভ হতে চলেছে। চাকুরিজীবীদের উন্নতির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যবসায়ীরা লাভ করার অনেক সুযোগ পেতে পারেন। এই সময়টি বিবাহিত জীবনের জন্য খুবই অনুকূল হতে চলেছে। অবিবাহিতদের বিয়ের যোগ আছে। মে মাস পর্যন্ত আপনাকে আপনার স্বাস্থ্যের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এই সময়ে আপনার স্বাস্থ্য দুর্বল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। স্বাস্থ্যের দিক থেকে ভাল ফল পেতে পারেন। ধন সঞ্চয় করতে সক্ষম হবেন।

কুম্ভ রাশির জাতকদের জন্য এই বছরটি অধিক অনুকূল থাকবে। আর্থিক দিক থেকে, এই বছর আপনি প্রচুর সাফল্য পাবেন। কেননা জানুয়ারী মাসে মঙ্গল গ্রহের গোচর আপনাকে সর্বাধিক আর্থিক সুবিধা সাহায্য করবে। তারপরে, মার্চের শুরুতে, চারটি প্রধান গ্রহ যেমন শনি, মঙ্গল, বুধ এবং শুক্রের সংমিশ্রণ আপনাকে প্রচেষ্টা এবং ভাল সম্পদের লাভে সাফল্য দেবে।

যাইহোক, ১১ এপ্রিল মেষ রাশিতে ছায়াগ্রহ রাহুর গোচর এবং আপনার তৃতীয় ভাবে এটির দৃষ্টি আপনাকে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নিতে প্রেরিত করবে। এইরকম পরিস্থিতিতে, আপনি সবকিছুতে ভাল করে ধ্যান দিবেন এবং কোন কিছুকে আপনার উপর আধিপত্য বিস্তার করতে দেবেন না। এই বছর জুড়ে আপনার স্বাস্থ্য স্বাভাবিক থাকবে। লক্ষণীয়, জানুয়ারী মাসে, আপনি মানসিক চাপে ভুগতে পারেন এবং ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত অনেক গ্রহের প্রতিকূল চলাফেরা এবং তাদের স্থান পরিবর্তনের কারণে আপনাকে কিছু শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন করতে হতে পারে। এপ্রিল মাসে মেষ রাশিতে হতে চলা রাহুর গোচর এবং আপনার তৃতীয় ভাবে এটির দৃষ্টি আপনার ভাইবোনদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অনেক সমস্যা করতে সাহায্য করবে।

যদি আমরা আপনার কর্মজীবন এবং পেশাগত জীবন সম্পর্কে কথা বলি, তাহলে জানুয়ারী মাসে ধনুতে মঙ্গল গ্রহের উপস্থিতি আপনাকে চাকরি এবং ব্যবসা উভয় ক্ষেত্রেই দুর্দান্ত সাফল্য দেবে। যদিও, সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত আপনাকে কর্মস্থলে আপনার বরিষ্ঠ অধিকারী এবং বসের সাথে ছোটখাটো বিরোধের সম্মুখীন করতে হতে পারে। এছাড়া কুম্ভ রাশির শিক্ষার্থীদের জন্য এই বছরটি অত্যন্ত ফলদায়ী প্রমাণিত হবে। কিন্তু তা সত্ত্বেও, অনুকূল ফল ভোগ করার জন্য আপনাকে প্রাথমিক দিনগুলিতে আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। অন্যদিকে, বিবাহিতদের জাতকদের দিকে তাকালে, সাল ২০২২ আপনার জন্য মিশ্র হবে। এই বছরের প্রথমের দিকে, আপনার জীবনসঙ্গী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকেদের সাথে তর্ক বা বিবাদের সম্ভাবনা রয়েছে এবং এপ্রিল পর্যন্ত পরিস্থিতির উন্নতি হবে না। এছাড়াও, এপ্রিল মাসে মীন রাশিতে বৃহস্পতি গোচর এবং আপনার দ্বিতীয় ভাবকে সক্রিয় করা, অবিবাহিতদের বিবাহে আবদ্ধ করতে কাজ করবে।

অর্থের দিক থেকে এই বছরটি মোটামুটি কাটবে। বছরের শুরুতে আপনি কোনও পুরানো ঋণ থেকে মুক্তি পেতে পারেন, তবে আপনার ব্যয় বৃদ্ধির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আপনাকে আপনার ব্যয় এবং আয়ের মধ্যে ভারসাম্যতা বজায় রাখতে হবে, যাতে আপনি আর্থিক সংকট থেকে দূরে থাকতে পারেন। এবছর বিদেশ সফরে যাওয়ার সুযোগও পেতে পারেন। চাকুরিজীবীরা ইতিবাচক ফল পেতে পারেন। ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় ভাল পরিবর্তন আসতে পারে। যদিও আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হতে পারে। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ছোটোখাটো সমস্যা দেখা দেবে।

মীন রাশির জাতকদের জন্য সাল ২০২২ মুখ্যরূপে অনুকূল হবে। এই বছর আপনি বেশিরভাগ আর্থিক দিক থেকে সম্পন্ন হবেন। এপ্রিল মাসে শনি দেবের একাদশ থেকে দ্বাদশ ভাবে উপস্থিতি আপনার আয়ের নতুন উৎস তৈরি করতে সাহায্য করবে। এ ছাড়া, আগস্ট থেকে অক্টোবরের মধ্যে গ্রহের ক্রমাগত পরিবর্তন আপনার জীবনে অনেক অর্থনৈতিক উত্থান -পতন নিয়ে আসবে। অন্যদিকে ক্যারিয়ারের দিক থেকে মীন রাশির জাতকেরা অনুসার পরিনাম পাবেন। এছাড়াও, এপ্রিল মাসে মীন রাশিতে বৃহস্পতির গোচর আপনার কর্মস্থলে আপনাকে আপনার সহকর্মীদের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপনে সহায়তা করবে। যে কারণে আপনি পদোন্নতি পাবেন এবং আপনি বেতন বৃদ্ধি পেতেও সক্ষম হবেন।

শিক্ষার্থীদের কথা বলতে গেলে, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বৃশ্চিক রাশিতে মঙ্গলের গোচর শিক্ষায় ইতিবাচক ফলাফল দিতে পারে। ফলস্বরূপ, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শিক্ষার্থীরা তাদের পরীক্ষায় ভালো প্রদর্শন করে ভালো নম্বর পেতে পারবে। যদিও, পারিবারিক জীবনের দৃষ্টিকোণ থেকে, এপ্রিলের শেষ দিনগুলিতে, আপনার রাশি থেকে দ্বাদশ ভাবে কর্মফল দানকারী শনির গোচরের ফলে, আপনাকে আপনার পরিবার থেকে দূরে সরে যেতে হতে পারে। অন্যদিকে, স্বাস্থ্যের দিক থেকে, মে থেকে আগস্টের মধ্যে আপনার মায়ের খারাপ স্বাস্থ্য উন্নতির দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। এছাড়া, মে থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত, আপনার স্বাস্থ্যের প্রতি সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। কারণ এই সময়শনি গ্রহ আপনার রোগ ভাবের দিকে পুরোপুরি দৃষ্টি করে থাকবেন।

এই বছর মে মাসে তিনটি গ্রহ যেমন মঙ্গল, শুক্র এবং গুরু বৃহস্পতির সংমিশ্রণ এবং বৃহস্পতি গ্রহের গোচর আপনার পরিবার এবং গুরুজনদের আশীর্বাদ দিতে চলেছে। বিবাহিত জীবনের দৃষ্টিকোণ থেকেও, এই বছরটি বিবাহিতদের জন্য কোন বরদান থেকে কম নয়। কারণ বছরের শুরু থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত বিবাহিতদের একটি ভালো বিবাহিত জীবন উপভোগ করতে দেখা যাবে। ২১ এপ্রিলের পরে, আপনার বিবাহিত জীবনেও নতুনত্ব আসবে। যদিও, এই রাশির প্রেমময় জাতকদের জন্য, এই বছরটি স্বাভাবিক হতে চলেছে। কিন্তু আপনার পঞ্চম এবং সপ্তম ভাবের অধিপতি বুধের আপনার ভালোবাসার ভাবে উপস্থিতি, এবং আপনার প্রেম এবং সম্পর্ককে সম্পূর্ণরূপে দৃষ্টি করা, হঠাৎ করে কোন তৃতীয় ব্যক্তি আপনাদের সম্পর্কের মাঝে হস্তক্ষেপ করার কারণ হবে। এমন পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে এই বছর সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত, আপনার সঙ্গীর সাথে ছোট-ছোট বিষয়ে কোন প্রকার তর্ক করা থেকে এড়িয়ে চলুন।